Featured

নীলফামারী বিএনপির সমালোচনায় জামায়াতের ফেসবুক

http://tistanews24.com/wp-content/uploads/2015/12/8487.jpgনীলফামারী অফিস থেকে বিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারী জলঢাকা পৌর নির্বাচনে বিএনপি মেয়র প্রার্থী ফাহমিদ ফায়সাল কমেট চৌধুরী যেন বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী মকবুল হোসেন ও তাদের সমর্থকদের।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর জলঢাকা পৌর নির্বাচন। এই নির্বাচনে জলঢাকায় নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে দ্বিমুখী লড়াই যে হবে তা এখন ভোটারদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রচার প্রচারনায় এখন নৌকা ও ধানের শীষ । তাহলে কে হচ্ছে মেয়র এই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষন। এ অবস্থায় গত ২৪ ডিসেম্বর বিএনপির মেয়র প্রার্থীর পক্ষে জনসংযোগ করে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফলে নির্বাচনে জলঢাকায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী যেন আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে। ভোটারদের কথায় ধীরে ধীরে নির্বাচনের জনপ্রিয়তা থেকে ছিটকে পড়েছে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী।
এই অবস্থায় -জলঢাকা জামায়াত নীলফামারী- নামের একটি ফেসবুকে দেখা যায় সেখানে জামায়াতের মেয়র প্রার্থীর প্রচারনার ছবি । সেই সাথে একটি স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে গত ২৪ ডিসেম্বর জলঢাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পথসভায় বক্তব্য ঘিরে।
জামায়াতের সেই স্ট্যাটাসটি পেজটি কপির লিখাগুলো হু-বাহু এখানে তুলে ধরা হলোঃhttp://tistanews24.com/wp-content/uploads/2015/12/JoL-400x296.jpg

গনতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রসেনা,দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বি,এন,পি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুপ্রেরনামুলক, হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য শুনলাম। আসন্ন পৌর নির্বাচন উপলক্ষ্যে তিনি আজ জলঢাকায় দল মনোনীত প্রার্থী ফাহমিদ ফয়সালচৌধুরী কমেটের সমর্থনে এক বিরাট পথ সভায় বক্তব্য দেন। আওয়ামীলীগ সরকারের জুলুম-নির্যাতনের নির্মম কাহিনী তুলে ধরেন। ৮৬টি মিথ্যাও বানোয়াট মামলায় আসামী করা হয়, এর মধ্যে কয়েকটি মামলার বিচার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিন ইমেজের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত তিনি। ১/১১ থেকে শুরু এখন পর্যন্ত খুন-গুম,হামলা-মামলা, নির্যাতনের শিকার হয়ে পর্যদস্ত হয়ে গেছে দলটি। এ থেকে বাদ পড়েনি স্বয়ংদলীয় প্রধান, তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দলটির সকল শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে তৃনমুলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী সরকারের জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে। মির্জা ফখরুল স্যারের বক্তব্যশোনার পর থেকে একটি বিষয় মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সারাদেশে সরকারী নির্যাতনের এক ভয়াবহ চিত্র তিনি তুলে ধরলেন তার বক্তব্যে। কিন্তু নীলফামারী জেলা ব্যতিক্রম কেন? খোজ খবর নিয়ে জানা যায়, নীলফামারী জেলার বি,এন,পি শীর্ষ কোন নেতার নামে কোন মামলা নেই। দেশের অন্যান্য স্থানের বি,এন,পি’র নেতা কর্মীরা যখন আন্দোলন আর ঘর ছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়ায় এই নেতারা তখন দিব্যি ঘুরে বেড়ান,নির্বিঘ্নে জীবন যাপন। আন্দোলনের উত্তাপ এদের গায়ে লাগে না। তাহলে ওনাদের খুটির জোরটা কোথায়? দুটি কারনে এটা হতে পারে, প্রথমতঃ সরকারী দল এবং প্রশাসনকে ম্যানেজ করে থাকা আর দ্বিতীয়তঃ বিগত সরকার বিরোধী আন্দোলনের মাঠে না থাকা। এসব কারনে হয়তো সরকারী দল ও পুলিশ প্রশাসন তাদের উপর সন্তুষ্ট! মির্জা ফখরুল কি জানেন, আজকের সভা মঞ্চের শোভা বর্ধন করেছেন নীলফামারী জেলা বিএনপির যেসব নেতা তাদের কারো নামে একটিও মামলা নেই। ওনারা ৪দলীয় জোট সরকারের আমলে যে রকম শানদার জীবন যাপন করেছেন, এখনও ঠিক আগের মতই বিলাস বহুল আয়েশী জীবন যাপন করছেন! আপনি যখন মাসের পর মাস জেলখানায় বন্দী থাকেন, বেগম জিয়ার নির্দেশে সারাদেশে উত্তাল আন্দোলন চলে,এই নেতারা তখন তাদের ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত। আর যখন নির্বাচনের মওসুম আসে তখন মনোনয়ন পাগলা(!) সাজে এরা।

জামায়াত জলঢাকা নীলফামারী ফেসবুক পেজের লিংকটি দেয়া হলো।

https://www.facebook.com/staff.correspondent

Show More

News Desk

তিস্তা নিউজের নিউজ রুম থেকে সমস্ত বিভাগসহ বাংলাদেশের সর্বশেষ সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আপনি যদি তিস্তানিউজ ২৪.কম এ প্রকাশের জন্য আমাদের ট্রেন্ডিং নিউজ প্রেরণ করতে চান তবে আসুন এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার নিউজটি আমাদের নিউজ রুম থেকে নিউজ ডেস্ক হিসাবে প্রকাশিত হবে। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদান্তে- আব্দুল লতিফ খান, সম্পাদক মন্ডলির সভাপতি।

Related Articles

Back to top button
Close