ওই ক্যানেলে সংলগ্ন বাড়ি কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, চলতি বোরো মৌসুমের (খরিপ-১) তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে ১৫ জানুয়ারী হতে পানি দেয়া শুরু হয়। ওই সেচের পানি পেয়ে তিস্তার কমান্ড এলাকার দিনাজপুর ক্যানেলের দুই ধারে কৃষকরা বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে চারা রেপন করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলে সেচ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে ক্যানেলের ডান তীর বাঁধ ভেঙে আমার জমিসহ আসে পাশের অন্তত শতাধিক একর জমিতে পানির স্রোত বয়ে যাচ্ছে।
একই গ্রামের কৃষক রজব আলী জানান, ঘটনার পর পরই নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ফোন করা হয়। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর নামমাত্র সংস্কার করে ক্যানেল। এতে ক্যানেলের পাড় ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনিসহ ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা।
ওই এলাকার কৃষক শরিফ ইসলাম, শফিকুল ইসলাম সহ আরও অনেকে জানান, এর আগে ২০১৫ ও ২০২৪ সালেও ক্যানেলের বাধ বিধ্বস্থ হয়েছিল। এতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা ওই এলাকার নীলফামারী - পঞ্চপুকুর সড়কটি অবরোধ করে ক্ষতিপূরনের দাবি তুলেছে। সেখানে নীলফামারীর পানি উন্নয়ন বোডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান গেলে তাকে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, যতদুর ধারনা ওই স্থানে ঈঁদুরের গর্তের সৃস্টি ছিল। সেচের জন্য ক্যানেলে পানি ছাড়ায় ঈঁদুরের গর্তের কারনে ক্যানেলে তীর বা পাড় ২০ ফিট বিধ্বস্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, যেহেতু সেচ নির্ভর বোরো আবাদ শুরু হয়েছে। আমরা দ্রুত বিধ্বস্থ স্থানটি মেরামত করে সেচ কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে পারবো। তবে দিনাজপুর ক্যানেলে বাধ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও সেচ প্রকল্পের রংপুর ও বগুড়া ক্যানেলে সেচ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


