সর্বশেষ

Tuesday, February 24, 2026

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ৯টার মধ্যেই অফিসে সচিবরাও

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ৯টার মধ্যেই অফিসে সচিবরাও

তারেক রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত সময় ধরে অফিস করছেন। বিশেষ কোনো কাজ না থাকলে তিনি সকাল ৯টার মধ্যে সচিবালয়ের অফিসে ঢুকে পড়ছেন। এমনকি শনিবারও তিনি অফিস করছেন তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন শীর্ষ কর্মকর্তারাও। অতীতের অভ্যাস পরিবর্তনে একটু সময় লাগলেও সচিবরা চেষ্টা করছেন সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে ঢুকতে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এখনো তা হয়ে উঠেনি। অবশ্য সে কারণে প্রধানমন্ত্রী তাদের কিছু বলেছেন, তাও নয়। বরং প্রধানমন্ত্রী কৌশলে তাদের পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য নিজেই নীরবে সবার আগে অফিসে উপস্থিত হয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করছেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় সচিবালয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সচিব সকাল সাড়ে ৮টা থেকে অফিসে ঢুকতে শুরু করেছেন। অনেকের ঢুকতে সাড়ে ৯টাও বেজে গেছে। আবার সকাল সাড়ে ৯টার পরও অনেকে অফিসে ঢুকতে পারেননি। সমালোচকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেখে অনেকে অভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলেছেন। তারা নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন। আর যারা অভ্যাস পরিবর্তন করছেন না, তারা অনেকটা ‘ড্যাম কেয়ার’। তাদের কারও চাকরি শেষ পর্যায়ে, আবার কেউ আছেন চুক্তিভিক্তিক চাকরিতে। সুতরাং যে কোনো সময় চুক্তি বাতিল হতে পারে। সে কারণে তারা অনেকটা আগের নিয়মে অফিস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মো. জাবের। এর কয়েক মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন মাধ্যমিক ও শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন। এর দুই মিনিট পর অফিসে আসেন বস্ত্র ও পাট সচিব বিলকিস জাহান রিমি। এর এক মিনিট পর অফিসে হাজির হন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। এর দুই মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরিন জাহান। প্রায় একই সময়ে অফিসে প্রবেশ করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।

সকাল ৯টায় অফিসে আসেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ। একই সময়ে অফিসে ঢোকেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. একেএম শাহাবুদ্দিন।


অপরদিকে সকাল ৯টার পর সচিবালয়ে আসেন খাদ্যসচিব মো. ফিরোজ সরকার। তিনি ৯টা ২২ মিনিটে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। এর কয়েক মিনিট পর সচিবালয়ে প্রবেশ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. সাইদুর রহমান খান এবং কৃষিসচিব ইমদাদ উল্লাহ মিয়ান। তবে সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যেও অফিসে আসেননি গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান।


সমালোচকরা বলছেন, শীর্ষ কর্মকর্তারা সময়মতো অফিসে উপস্থিত হন না। যে কারণে অধস্তন কর্মকর্তারাও সময়মতো অফিসে হাজির হওয়াটাকে জরুরি জ্ঞান করেন না। এটা যে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ, তারা বিষয়টি বেমালুম ভুলে গেছেন। ফলে সরকারি অফিসে আসার ক্ষেত্রে সময় মানেন না অধিকাংশ কর্মচারী। আবার ফেরার সময় দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৩০ মিনিট আগেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেরিয়ে পড়েন। তখন আর সময় দেখা হয় না। এখানেই শেষ নয়। সচিবালয়ের দপ্তরগুলো সকাল সাড়ে ৮টার আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখার কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ৯টার পরও অনেক ক্লিনারকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রুম ধোয়া-মোছা করতে দেখা গেছে। ফলে ধুলাবালুর মধ্যে অফিস করতে হয় কর্মকর্তাদের।

জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মো. জাবের  বলেন, আমি চাকরিজীবনের প্রথম দিন থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় অফিসে আসি। যানজটে পড়লে দু-চার মিনিট দেরি হতে পারে। এর ব্যতিক্রম হয় না। অন্য কর্মকর্তারা প্রায় অভিন্ন ভাষায় বলেন, অনেক সময় রাস্তায় যানজটের কারণে বিলস্ব হয়। মন থেকে কেউ দেরি করে অফিসে আসেন বলে মনে হয় না।


সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর 

Logo
দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত সময় ধরে অফিস করছেন। বিশেষ কোনো কাজ না থাকলে তিনি সকাল ৯টার মধ্যে সচিবালয়ের অফিসে ঢুকে পড়ছেন। এমনকি শনিবারও তিনি অফিস করছেন তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন শীর্ষ কর্মকর্তারাও। অতীতের অভ্যাস পরিবর্তনে একটু সময় লাগলেও সচিবরা চেষ্টা করছেন সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে ঢুকতে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এখনো তা হয়ে উঠেনি। অবশ্য সে কারণে প্রধানমন্ত্রী তাদের কিছু বলেছেন, তাও নয়। বরং প্রধানমন্ত্রী কৌশলে তাদের পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য নিজেই নীরবে সবার আগে অফিসে উপস্থিত হয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করছেনসোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় সচিবালয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সচিব সকাল সাড়ে ৮টা থেকে অফিসে ঢুকতে শুরু করেছেন। অনেকের ঢুকতে সাড়ে ৯টাও বেজে গেছে। আবার সকাল সাড়ে ৯টার পরও অনেকে অফিসে ঢুকতে পারেননি। সমালোচকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেখে অনেকে অভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলেছেন। তারা নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে হাজির হচ্ছেন। আর যারা অভ্যাস পরিবর্তন করছেন না, তারা অনেকটা ‘ড্যাম কেয়ার’। তাদের কারও চাকরি শেষ পর্যায়ে, আবার কেউ আছেন চুক্তিভিক্তিক চাকরিতে। সুতরাং যে কোনো সময় চুক্তি বাতিল হতে পারে। সে কারণে তারা অনেকটা আগের নিয়মে অফিস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মো. জাবের। এর কয়েক মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন মাধ্যমিক ও শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন। এর দুই মিনিট পর অফিসে আসেন বস্ত্র ও পাট সচিব বিলকিস জাহান রিমি। এর এক মিনিট পর অফিসে হাজির হন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। এর দুই মিনিট পর অফিসে প্রবেশ করেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরিন জাহান। প্রায় একই সময়ে অফিসে প্রবেশ করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে ট্রাস্টের ৩৯তম বোর্ড সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তাকে এ পদে মনোনীত করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ট্রাস্টের সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করতে সুবিধাভোগী সাংবাদিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের মূল শক্তি হলো জনগণ ও সংবাদ মাধ্যম। গণমাধ্যম জনআকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালী করেছে। সাংবাদিকদের অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করার সুযোগ করে দেওয়াই হবে আমাদের মূল কাজ।’

তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাংবাদিকদের জন্য অবসর ভাতা চালু এবং সরকারি হাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী তার বক্তব্যে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সভার সদস্য সচিব ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এ সময় নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ট্রাস্টের কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য, চ্যালেঞ্জসমূহ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।

মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ট্রাস্টের আর্থিক সংকট কাটাতে ব্যাংকে জমাকৃত ট্রাস্টের অর্থ বিধি মোতাবেক শুল্কমুক্ত করতে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। এছাড়া, তিনি ট্রাস্টের জনবল নিয়োগ, যানবাহন সুবিধা প্রদান, নিজস্ব ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন।

বোর্ড সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা, সদস্য, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামূল কবীর, সদস্য, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম আব্দুল্লাহ।

এছাড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ, সাংবাদিক পরিবার এবং মন্ত্রণালয় ও এর দপ্তর-সংস্থার প্রধান ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে, তথ্য ভবন অডিটোরিয়ামে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে সাংবাদিক পরিবারের ৪০২ জন মেধাবী সন্তানের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।

Monday, February 23, 2026

জলঢাকায় ট্রাক চাপায় ৫ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

জলঢাকায় ট্রাক চাপায় ৫ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু


হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা ঃ নীলফামারীর জলঢাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বিথী আক্তার (৫) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।  সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানপাড়া বাজারের কাছে টেংগনমারী - চিলাহাটি আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  

নিহত বিথী ৭ নং মীরগঞ্জ ইউনিয়নের কালকেওট উত্তরপাড়ার বাবুল হোসেনের মেয়ে।সে ব্রাক পরিচালিত প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।জানা গেছে, সোমবার সকালে বাড়ির অদূরে  স্কুল শেষে রাস্তার পাশে সমবয়সীদের সাথে দাঁড়িয়ে রাস্তা পার হওয়ার অপেক্ষা করছিল বিথী।  এ সময় টেংগনমারী থেকে আসা ঢাকা মেট্রো ট- ২৪-৩৭৭৩ ও ঢাকা মেট্রো ট- ২৪-২০৪৯ দুই টি দ্রুতগতির ট্রাক একে অপরকে ক্রসিং করার সময় একটি ট্রাক রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিথীকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই বিথী মারা যায়। পরে স্থানীয় জনতা ঘাতক ট্রাক দুটিকে বেশ কিছুদূরে গিয়ে আটক করে পুলিশে দেয় । 

নীলফামারী - ৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী নিহত বিথীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।এসময় দুর্ঘটনার সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে মীরগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রাজু সরকার বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়েছে, ড্রাইভার ও হেলপার পালিয়ে গেছে। লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান বলে জানান তিনি। 

নতুন চিফ প্রসিকিউটর কে এই আমিনুল

নতুন চিফ প্রসিকিউটর কে এই আমিনুল

এ্যাড.আমিনুল ইসলাম 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সোমবার সলিসিটর মঞ্জুরুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।


বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) বিদ্রোহ ও হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে অন্যতম আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। তিনি বিডিআর বিস্ফোরক মামলার শুনানিতে আসামিদের খালাস ও জামিনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেছিলেন।


অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মাধবপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেনের স্বামী।


এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাজুল ইসলামকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।


নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তাজুল ইসলামের অধীনে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ২৪টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন। বর্তমানে এসবের বিচারকাজ চলছে ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এ। রায় ঘোষণা হয়েছে তিনটির। ঘোষিত রায়ে দণ্ডিত ২৬ জনের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ পুলিশের প্রধানেরাও রয়েছেন। রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যাসহ দুটি মামলা। এরই মধ্যে আগামী ৪ মার্চ ঘোষণা হবে রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার রায়।

এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের মামলারও বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে। বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানও। আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট বহু এমপি-মন্ত্রীও এখন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি।

Sunday, February 22, 2026

সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল

সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল

সংগৃহীত ছবি 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় পদগুলোতে বড় রদবদল হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে সেনাসদর থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, এর আগে তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন।

এ ছাড়া মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলামকে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন থেকে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। আবার ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসানকে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাফিজুর রহমানকে মেজর জেনারেলে পদোন্নতি দিয়ে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।


সূত্রঃ দৈনিক আমার দেশ।

তিস্তা প্রকল্পের জন্য প্রস্তুত চীন, সরকার চাইলেই কাজ শুরু: চীনা রাষ্ট্রদূত

তিস্তা প্রকল্পের জন্য প্রস্তুত চীন, সরকার চাইলেই কাজ শুরু: চীনা রাষ্ট্রদূত


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ তিস্তা প্রকল্পে কাজ করতে চীন প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেছেন, সরকার চাইলেই চীন কাজ শুরু করতে পারে।

আজ রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন কথা বলেন তিনি।

আরেক প্রশ্নের জবাবে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ার যে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কে তৃতীয় কোনো দেশ বা বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ চীন চায় না। যে কোনো দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক তৃতীয় কোনো পক্ষের টার্গেট হলে ব্যর্থ হবে।’

এ সময় চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নীলফামারীতে ক্যাবের আয়োজনে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

নীলফামারীতে ক্যাবের আয়োজনে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান



মাহমুদ আল হাছান তিস্তা নিউজ ঃ 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার তদারকি কার্যক্রমে বাধা প্রদান এবং বাজার বন্ধের হুমকির প্রতিবাদে নীলফামারীতে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কনজ্যুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের চৌরঙ্গীমোড়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের হুমকি দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। অসাধু ব্যবসায়ীদের এমন কর্মকাণ্ড সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায় এবং বাজারে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে।

বক্তারা আরও বলেন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে নিত্যপণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে বাড়ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

ক্যাব নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি আল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল ইসলাম, জলঢাকা উপজেলা ক্যাবের সভাপতি এমদাদুল হক, ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কে এম ফারুক হোসেন এবং জেলা ক্যাবের সদস্য আজহারুল ইসলাম রাজাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধন থেকে ৫টি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো— বাজার তদারকিমূলক অভিযানে প্রশাসনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; বাধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া; নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত জোরদার করা; ব্যবসায়ীদের আইন মানতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ এবং ঢাকায় সৃষ্ট অনভিপ্রেত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।

বক্তারা বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সরকারি দায়িত্ব পালনে যারা বাধা দিয়েছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।