Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Wednesday, August 19, 2026

কলকাতায় হোটেলে নিহত বাংলাদেশীরা গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য

কলকাতায় হোটেলে নিহত বাংলাদেশীরা গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি বাণিজ্যিক হোটেলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো ৯ জন অতিথির সকলেই বাংলাদেশী নাগরিক ছিলেন। তারা প্রত্যেকেই উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তথ্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি কলকাতা ও বাংলাদেশে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

আজ বুধবার ভোর ৩টার দিকে নিউ মার্কেটের কাছে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে আগুন লাগে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় হোটেলের কয়েকজন অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। পরে শুরু হয় বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন মন্ত্রী। তাদের মধ্যে ছিলেন- পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, শিল্প বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় এবং পূর্ণিমা চক্রবর্তী।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত চারটি দমকলের গাড়ি পৌঁছায়। পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও উদ্ধারকাজে যোগ দেন।

দমকলকর্মীরা হোটেলের ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালান। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

এক পুলিশ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হোটেলের ভেতরে ঘন ধোঁয়া থাকায় দমকলকর্মীদের সিঁড়ি দিয়ে ওপরের তলায় পৌঁছাতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।’

ওই কর্মকর্তা বলেন ‘আটকে পড়াদের উদ্ধার করা এবং আগুনের কারণ খুঁজে বের করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে এবং এখন ভবন ঠান্ডা করার কাজ চলছে।’

কলকাতার এই অগ্নিকাণ্ডের মাত্র দুই দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে আরেকটি হোটেলে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে।

১৭ আগস্ট ভোরে তারাপীঠের হোটেল বিদেষিণীতে আগুনে অন্তত ৮ জন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন।

পাঁচতলা হোটেলটির নিচতলায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগুন লাগে। ওই সময় বেশিরভাগ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। হোটেলটি তারাপীঠ মন্দিরের কাছে একটি পবিত্র পুকুরের পাশে অবস্থিত।

নিহতদের মধ্যে মেঘালয়ের একই পরিবারের পাঁচজন সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে দুটি শিশু ছিল। পরিবারটি হোটেলের ওপরের তলায় অবস্থান করছিল।

Sunday, August 2, 2026

দুবাই কারাগার থেকে ছাড়া পেলেন বেনজীর আহমেদ

দুবাই কারাগার থেকে ছাড়া পেলেন বেনজীর আহমেদ

বেনজীর আহমেদ 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দুবাইয়ের কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। গত সোমবার (২৭ জুলাই) সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারামুক্ত হন তিনি।

কারামুক্তির পর বেনজীর আহমেদের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। এশিয়া পোস্টকে তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। শারীরিকভাবেও সুস্থ আছেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি।

তবে দুবাইয়ের একাধিক সূত্র এশিয়া পোস্টকে জানায়, বেনজীরের জামিনের ক্ষেত্রে সেখানকার আদালত কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছে। শর্ত অনুযায়ী বেনজীরের পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে থাকবে এবং অনুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না।

সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথিপত্র এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে বেনজীরকে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আদালত।

এ বিষয়ে দুবাই কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। দুবাই পুলিশের সহায়তায় এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২ জুন এক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করে দুবাই পুলিশ।

এর আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে একাধিক মামলা করে দুদক। এসব অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

আইজিপি হিসেবে বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‍্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তা নিয়ে তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তখনই তিনি দেশ ছেড়েছিলেন। এরপর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।

Sunday, July 26, 2026

ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী

ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তিনি বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। জোশী বর্তমানে ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রণালয় এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।


সাম্প্রতিক সময়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান। বিশেষ করে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় পুনঃপরীক্ষার ঘোষণা দেওয়ার পর এক ডজনেরও বেশি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর সামনে আসে, যা পরিস্থিতিকে আরো উদ্বেগজনক করে তোলে।


নিজের পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে কোনো ‘দেশবিরোধী শক্তি’ যেন কাজে লাগাতে না পারে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন আইনি জটিলতায় আটকে না যায় এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীরা যেন আন্দোলনের পরিবর্তে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গঠনে মনোযোগ দিতে পারে, সেটিই তার প্রত্যাশা।


সূত্র: এনডিটিভি।

Thursday, July 23, 2026

দিল্লিতে আবারও ইন্টারনেট বন্ধ, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ

দিল্লিতে আবারও ইন্টারনেট বন্ধ, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) চলমান আন্দোলন ঘিরে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যন্তর মন্তরের মূল বিক্ষোভস্থল শান্ত থাকলেও সংসদ মার্গ এলাকায় বিক্ষোভকারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংসদ মার্গে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে ধাওয়া দেয়। দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে দুই সহকারী পুলিশ কমিশনার, একজন পরিদর্শক, একজন প্রধান কনস্টেবল এবং একজন কনস্টেবলসহ মোট পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, সংসদ মার্গের পার্ক হোটেল এলাকার কাছে বিক্ষোভকারীদের একাংশ উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে একজন পুলিশ সদস্যকে ধাওয়া দিয়ে মারধরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবকদের এগিয়ে আনে পুলিশ। তারা বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। স্বেচ্ছাসেবকদের ভাষ্য, এমন ঘটনা আন্দোলনের উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এ সময় লাউডস্পিকার লাগানো একটি পুলিশ বাসে একজন স্বেচ্ছাসেবককে দাঁড় করিয়ে সংসদ মার্গ এলাকায় ঘোরানো হয়। তিনি মাইকে বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত যন্তর মন্তরের দেড় কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Tuesday, July 21, 2026

দিল্লিতে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

দিল্লিতে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ দলের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

মঙ্গলবার নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন কংগ্রেস নেতারা। তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছিলেন।

বিক্ষোভ চলাকালে দিল্লি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাসহ অন্য কংগ্রেস নেতাদের আটক করা হয়। পরে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।


সূত্র: দ্য হিন্দু ।

Monday, July 20, 2026

রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্টকেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে রাজধানী নয়াদিল্লির রাস্তা। সোমবার (২০ জুলাই) নিষেধাজ্ঞা ও ব্যারিকেড উপেক্ষা করে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী এবং তরুণ রাজপথে নেমে এলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানেগ্যাস ছোড়ে পুলিশ। মূলত মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষানিট’-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল সিজেপি।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকেই সেন্ট্রাল দিল্লির প্রধান বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে জড়ো হতে থাকেন হাজার হাজার তরুণ আন্দোলনকারী। মিছিল নিয়ে তারা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে ও একাধিক স্থানে বসানো নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মধ্য দিল্লির বেশকিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এক জরুরি বার্তায় সমর্থকদের শান্ত ও অহিংস থাকার আকুল আবেদন জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আপনাদের যদি বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে দেওয়া হয়, তবুও শান্ত থাকুন ও শান্তি বজায় রাখুন। আমরা কেবল শান্তি ও ভালোবাসার পথেই জয়ী হতে পারবো। এর আগে রোববারই (১৯ জুলাই) দিল্লি পুলিশ এই পদযাত্রার অনুমতি বাতিল করে ও পুরো এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির যে কোনো ধরনের জমায়েতের ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, অনুমোদিত যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া কোথাও মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ সমাবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো ব্যক্তি এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ দেশের সব নাগরিককে আইন মেনে চলতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার আহ্বান জানায়।

Friday, July 17, 2026

রুমে স্বামীর লাশ, সন্তান রক্তাক্ত— পাশেই খাটে শুয়ে মোবাইল দেখছিলেন স্ত্রী!

রুমে স্বামীর লাশ, সন্তান রক্তাক্ত— পাশেই খাটে শুয়ে মোবাইল দেখছিলেন স্ত্রী!

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ভারতের কর্ণাটকের ধারওয়াদ শহরে এক হৃদয়বিদারক ও লোমহর্ষক ঘটনায় পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে। শহরের একটি আবাসন থেকে অ্যানেসথেটিস্ট চিকিৎসক ড. কিরণ হোনান্নাভারের রক্তভেজা মরদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ দেখে, পাশে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছে তাদের আট বছরের শিশুপুত্র, আর ঠিক তার পাশেই খাটে শুয়ে নির্বিকার ভঙ্গিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন নিহত ব্যক্তির স্ত্রী ড. প্রিয়ঙ্কা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ধারওয়াদের কর্ণাটক ইউনিভার্সিটি রোড এলাকার ‘রাঙ্কা স্টেলো’ অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা ছিলেন এই চিকিৎসক দম্পতি। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে স্বজনরা কিরণের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে শঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা একেকবার একেক ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিলেন। অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় স্বজনরা ফ্ল্যাটে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন এবং ওই গা শিউরে ওঠা দৃশ্যের মুখোমুখি হন।


পুলিশ কমিশনার এন শশিকুমার জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন ড. কিরণের গলায় মারাত্মক জখমের চিহ্ন এবং তিনি তোশকের ওপর রক্তের মধ্যে পড়ে আছেন। পাশে থাকা শিশুপুত্রটিকেও রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুটি অটিজমে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে।


পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটের ভেতরে কেবল স্বামী, স্ত্রী ও তাদের সন্তানই ছিলেন এবং সেখানে কোনো বহিরাগত প্রবেশের প্রমাণ নেই। ঘটনার পর থেকে স্ত্রী ড. প্রিয়ঙ্কার আচরণ অত্যন্ত রহস্যজনক ও অসংলগ্ন। চরম মানসিক ধাক্কায় নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তিনি এমন নির্বিকার ছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ড. প্রিয়ঙ্কাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কেন একজন চিকিৎসক মা ও স্ত্রী এমন পাশবিক কর্মকাণ্ডের পরও অবিচল থাকতে পারেন, তা এখন তদন্তকারীদের জন্য বড় রহস্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Wednesday, July 1, 2026

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা!

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা!

ছবি সংগৃহীত 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। সেখানে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি ও ক্যাম্প তৈরির পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসীদের চারণভূমি ও কৃষিজমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নিজেদের দখলে নিয়েছে তারা। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের একটি স্থানীয় আদিবাসী সংগঠন সীমান্ত এলাকায় চীনের এমন বড় ধরনের অনুপ্রবেশ ও দখলদারির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছে। 

 তবে আদিবাসী সংগঠনের এই দাবি অস্বীকার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। কলকাতাভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) পাকাপোক্ত ঘাঁটি গড়ে ফেলেছে বলে দাবি করেছে অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবনসিরি জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের আদিবাসীদের একটি সংগঠন। তাদের অভিযোগ, চীনা সেনাবাহিনীর দখলদারির ফলে গত ছয়বছর ধরে ওই এলাকায় স্থানীয়দের চাষের কাজ এবং পশুচারণ বন্ধ হয়ে গেছে।

যদিও ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অরুণাচল প্রদেশে চীনের সামরিক বাহিনীর অনুপ্রবেশ এবং সেখানে ঘাঁটি স্থাপনের অভিযোগ করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে সব প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তা ভুল এবং ভিত্তিহীন।’

মূলত অরুণাচল প্রদেশের উত্তর অংশে চীনের তিব্বত ভূখণ্ডের পাশেই অবস্থিত ওই অঞ্চলে ‘নাহ’ আদিবাসীর লোকেরা বাস করেন। তাদের সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’-র সভাপতি কেরু চাদের টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদককে বলেন, ‘ওই জমি আমাদের পূর্বপুরুষদের। সেখানে বহু যুগ ধরে তারা শিকার, পশুচারণ এবং চাষাবাদ করেছেন।’

কিন্তু সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) লাগোয়া আপার সুবনসিরি জেলার অন্তত পাঁচটি এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে চীনা সামরিক বাহিনী স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণ করেছে এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের সেখানে যেতে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কেরু চাদের।

এমনকি গত ১২ বছর আগে মাঝে মধ্যে ওই এলাকাগুলোতে চীনের সেনাবাহিনী ঢুবে পড়তো বলে জানিয়েছেন কেরু। কিন্তু ২০২০ সালে তারা পাকাপাকি ভাবে ওই ভূখণ্ডগুলো দখল নেয়। তিনি বলেন, ‘‘কার্যত ওই সময় থেকেই আমাদের সেখানে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে’।

আসাফিলা এলাকায় ওয়িং এবং পানিয়ার (চুজার্তা এলাকা), মারপান (মারনাফে), পোত্রাং (হ্রদ) ও টিনডিংতাং (টিজি)-তে চীনের এমন দখলদারির ঘটনা ঘটেছে বলে জানান কেরু চাদের। এসব স্থান তাকসিং সদর দপ্তরের কাছাকাছি এবং কয়েকটি এলাকাকে স্থানীয়রা তীর্থস্থান হিসেবেও বিবেচনা করেন।

প্রসঙ্গত, বছর কয়েক আগে লাদাখেও একই ভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে স্থানীয় পশুপালকদের বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল চীনের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। কিন্তু সে সময় কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, লাদাখে ভারতের এক ইঞ্চি ভূখণ্ডও চীন দখল করেনি।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, সম্প্রতি আপার সুবানসিরি জেলার ডেপুটি কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির (এনডব্লিউএস) সভাপতি কেরু চাদের। সেখানে তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও যেসব পূর্বপুরুষের জমিতে আমরা অবাধে শিকার করতাম, বনজ সম্পদ সংগ্রহ করতাম এবং গবাদিপশু চরাতাম, সেগুলো এখন চীনা সামরিক বাহিনীর দখলে।’

এনডব্লিউএসের অভিযোগ, আপার সুবানসিরির তাকসিং রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন পাঁচটি এলাকায় চীন ধীরে ধীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে। সংগঠনটির দাবি, আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো কৌশলগতভাবে দখল করে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে চীনা সরকার।

এ বিষয়ে নাচো এলাকার বিধায়ক নাকাপ নালো বলেন, বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই অভিযোগগুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘এটি জাতীয় ইস্যু হওয়ায় অভিযোগগুলো নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ রয়েছে।’

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, গত ১০ থেকে ১৫ বছরে তাকসিং সীমান্ত এলাকায় চীনের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সংগঠনটির দাবি, যত বেশি সম্ভব এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়াই চীনের সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্য।

স্মারকলিপিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতের ভূখণ্ডের ভেতরে চীনা সেনাবাহিনী সামরিক ক্যাম্প ও সড়ক নির্মাণ করেছে।

কেরু চাদের বলেন, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তারা বহু বছর ধরে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু তাদের প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। তাকসিং এলাকায় চীনা সামরিক বাহিনীর তৎপরতার গতি ও উদ্দেশ্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা প্রতিদিন ইঞ্চি ইঞ্চি করে আমাদের ভূমি হারাচ্ছি।’

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসন বা অরুণাচল প্রদেশ সরকার কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এমনকি জেলা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া

Tuesday, June 30, 2026

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের সংসদীয় প্রতিনিধি দল

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের সংসদীয় প্রতিনিধি দল

 তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহিল সাইয়্যিদ আলী হুসাইনি খামেনির বিদায়, জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধিদল

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান সরকারের আমন্ত্রণে প্রতিনিধি দলটি আগামী ৩ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করবেন। তারা আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত ইরান সফর করবেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির নেতৃত্বে এ প্রতিনিধিদলের অপর সদস্যরা হলেন মো. নুরুল আমীন এমপি, ড. মো. কেরামত আলী এমপি এবং ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।


দলীয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর শোক, সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহিল সাইয়্যিদ আলী হুসাইনি খামেনেয়ীর জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে।


ইরান সফরকালে সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিনিধিদল দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরানের জনগণের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা যায়।


একইসঙ্গে, এ গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি প্রতিনিধিদলের সফর সফল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইরান সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

Friday, June 26, 2026

বিশ্বকাপ ম্যাচ উপলক্ষে দেশজুড়ে একদিনের ছুটি ঘোষণা!

বিশ্বকাপ ম্যাচ উপলক্ষে দেশজুড়ে একদিনের ছুটি ঘোষণা!

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে এরপর প্রত্যাবর্তনের এক মহাকাব্য লিখল ইকুয়েডর। শক্তিশালী জার্মানিকে হারিয়ে নিশ্চিত করল বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। 


বিশ্বমঞ্চে ফুটবলারদের এমন ইতিহাসগড়া সাফল্যের পর দেশের মানুষকে এক দিনের বিশেষ সরকারি ছুটি উপহার দিয়েছেন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া।

নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতের ম্যাচে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২–১ গোলে হারিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশটি। ২০০৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল তারা। তবে এই টুর্নামেন্টে এবারই প্রথম বিশ্বকাপজয়ী কোনো পরাশক্তির বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেল ইকুয়েডর।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন অবিস্মরণীয় জয়ের পর দলের ফুটবলার ও কোচিং স্টাফকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় দেশজুড়ে সরকারি ছুটির ঘোষণা দিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমাদের খেলোয়াড় এবং কোচকে অসংখ্য ধন্যবাদ, যারা সব সমালোচনা, অপমান এবং কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরেও অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। তারা আজ পুরো দেশে এক বিশাল আনন্দের জোয়ার বয়ে এনেছেন। শুক্রবার পুরো দেশে ছুটি! দীর্ঘজীবী হোক ইকুয়েডর।’

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই লেরয় সানের দুর্দান্ত গোলে পিছিয়ে পড়ে চরম ধাক্কা খেয়েছিল ইকুয়েডর। তবে সেই ধাক্কা সামলে ম্যাচে ফিরতে বেশি সময় নেয়নি তারা। 

নবম মিনিটে নিলসন আঙ্গুলোর চোখধাঁধানো গোলে সমতায় ফেরে ইকুয়েডর।  এরপর জার্মানির একের পর এক আক্রমণ রুখে দিয়ে ম্যাচের ৭৭ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গনজালো প্লাতার গোলে পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে মাতায় তারা।

জার্মানিকে হারিয়ে তিন ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘তৃতীয় স্থান’ অধিকারী দল হিসেবে নকআউটে পা রাখল ইকুয়েডর। অন্যদিকে, এই ম্যাচে হারলেও ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই পরের রাউন্ডে উঠেছে জার্মানি।
বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীনে ইকোনোমিক করিডোরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৬ জুন) অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

মাহাদী আমিন বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এবং চীন হয়ে একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টি-মডারেল ট্রান্সপোর্টকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় সফরসঙ্গীদের নিয়ে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনের বীরদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঝাও লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং চীনের জাদুঘর পরিদর্শন পরিদর্শন। সফর শেষে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় তার ও সফরসঙ্গীদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

Saturday, June 6, 2026

তেলাপোকা পার্টির প্রধানের নেতৃত্বে প্রথম বিক্ষোভ, জনতার ঢল

তেলাপোকা পার্টির প্রধানের নেতৃত্বে প্রথম বিক্ষোভ, জনতার ঢল

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে শনিবার (৬ জুন) সকালে ভারতে ফিরে এসে দিল্লির জন্তর মন্তরে একটি বৃহৎ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। দলটি প্রকাশ্যে আসার পর এটিই তাদের প্রথম বিক্ষোভ-সমাবেশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশ নিয়েছেন।

এ সময়  বিভিন্ন পরীক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে অভিজিৎ দিপকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান। এছাড়াও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে উপস্থাপন করা হয় ৫ দফা দাবি।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে দিপকে বলেন, ‘বন্ধুরা, এটি দীর্ঘ লড়াই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবির আন্দোলন শুরু করার এক মাস হয়ে গেছে। কিন্তু তারা পদক্ষেপ নেয়ার পরিবর্তে আমাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা এবং পোস্ট মুছে ফেলার মতো কাজে ব্যস্ত ছিল। আপনারা পোস্ট মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমাদের অস্তিত্ব মুছে ফেলতে পারবেন না।’

দলটির পাঁচ দফা দাবিতে যা আছে

যথাযথ প্রশিক্ষণের পর শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটালায়ন: দিল্লিতে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত তিন শিক্ষার্থীর বাবা ৫০ বছর বয়সী রাধেশ্যাম কৈথাল বলেন, ‘ব্যাংকিং থেকে শিক্ষা—সবকিছু ডিজিটাল করা হচ্ছে। কিন্তু অনিয়ম কি বন্ধ করা যাচ্ছে? উত্তর হলো না। ব্যাংক জালিয়াতি চলছে, এখন শিক্ষাক্ষেত্রেও ডিজিটাল ব্যবস্থার নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। আমি ডিজিটালায়নের বিরোধী নই, তবে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও সঠিক মূল্যায়নের পর এটি চালু করা উচিত।’

মণিপুরে শিক্ষাব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা: বর্তমানে নয়ডায় কর্মরত এবং দুই বছর আগে মণিপুর ছেড়ে আসা ৩২ বছর বয়সী সমাজউদ্যোক্তা উইনসন বলেন, ‘তিন বছর ধরে মণিপুরে অস্থিরতা চলছে। আমার রাজ্যে স্কুল-কলেজসহ কোনো কিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছে না। শিক্ষার্থীরা চরম মানসিক চাপে রয়েছে।’

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা: দিল্লিতে বসবাসকারী জয়পুরের বাসিন্দা ৩৪ বছর বয়সী গায়ত্রী সিং বলেন, ‘আমার এক আত্মীয় পরিবার থেকে দূরে কোটায় একটি ছোট্ট ঘরে থেকে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সে ভেবেছিল কম র‌্যাংকের কলেজে সুযোগ পেলেও ভর্তি হবে। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সবকিছু নষ্ট করে দিয়েছে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে সে প্রস্তুতি নিয়েছে। এখন তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে কীভাবে উৎসাহ দেব, বুঝতে পারছি না।’

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বাস্তব সমস্যাগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া: দিল্লির ১৮ বছর বয়সী রোনক কুমার বলেন, ‘আমি অনলাইনে দলটিকে অনুসরণ করছিলাম, কিন্তু বিক্ষোভে আসব কি না নিশ্চিত ছিলাম না। সকাল ১০টায় অফিসে যাওয়ার পথে হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে এখানে চলে আসি। দলের ভবিষ্যৎ কী হবে জানি না, তবে অন্তত তারা এমন বিষয় নিয়ে কথা বলছে, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবক—সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা: মনোবিজ্ঞানী সুগন্ধা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আন্দোলনকে মাঠে নামাতে পেরেছে সিজেপি। এর অর্থ হলো তারা এমন বিষয় নিয়ে কথা বলছে, যার সঙ্গে মানুষ নিজেদের সম্পৃক্ত মনে করছে। অনেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, লাখো শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে রয়েছে, অথচ কোনো জবাবদিহি নেই।’

তরুণদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

বিক্ষোভে শত শত মানুষ অংশ নেন, যাদের বেশিরভাগই তরুণ। অনেককে ককরোচের মুখোশ পরে এবং হাতে ফুল নিয়ে উপস্থিত হতে দেখা যায়। অভিভাবকদের সঙ্গে কয়েকজন স্কুলশিক্ষার্থীও কর্মসূচিতে অংশ নেয়। সমাবেশে স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তরুণ পেশাজীবীদেরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল।

বিক্ষোভস্থলে সিজেপি নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস, সিবিএসইর অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতিতে অনিয়মের অভিযোগ এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-সংক্রান্ত ত্রুটির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হয়। সমাবেশে ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে’, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করুন’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়।

Tuesday, June 2, 2026

কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, সব জানি: হাদি হত্যা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, সব জানি: হাদি হত্যা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে চাপে রাখতে রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যা প্রসঙ্গ টেনে বিস্ফোরক দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মঙ্গলবার (২ ‍জুন) ভোট-পরবর্তী অশান্তি, পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ, নিট পরীক্ষার জালিয়াতি ও বিজেপি সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণের প্রতিবাদে কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় ওয়াই চ্যানেলে ধরনা কর্মসূচি ছিল মমতার।

এদিনের রাজনৈতিক সভা থেকে হঠাৎ করে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যার বিষয়টিও তুলে ধরেন মমতা। মমতার দাবি হাদি হত্যাকারীদের রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন পান মমতা। তাকে বলা হয়, এই বিষয়টি যেন বাইরে না জানানো হয়। 

মমতা বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাই তা হলো- ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এইটা তাদের কৃতিত্ব। কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার।’

আজকের কর্মসূচিতে অমিত শাহকে প্রশ্ন ছুড়ে মমতা বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভান্ডার। তথ্য ভান্ডার।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলবো না।’ 

সূত্রঃ চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

Tuesday, May 26, 2026

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা, ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা, ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। এবার দক্ষিণ ইরানের কয়েকটি কৌশলগত স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র টিম হকিন্সের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অঞ্চলটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানি বাহিনীর সম্ভাব্য হুমকি ও হামলা প্রতিরোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত নিজেদের সেনাদের সুরক্ষায় এটিকে একটি ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং পারস্য উপসাগরে মাইন স্থাপনের চেষ্টায় লিপ্ত থাকা ইরানি নৌযানগুলো।

সেন্টকমের মুখপাত্র টিম হকিন্স চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চললেও যুক্তরাষ্ট্র তার বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কোনো আপস করবে না। আমাদের সেনারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে, তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা এখনও সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখছি।

এদিকে এই হামলার ঠিক পূর্বমুহূর্তে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী ‘বন্দর আব্বাস’-এ বিকট বিস্ফোরণের খবর প্রকাশ করে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘মেহর নিউজ এজেন্সি’ বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, আকস্মিক বিস্ফোরণের পর বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।



তবে এই সরাসরি মার্কিন হামলার ঘটনায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ নতুন মাত্রা পেল। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগরীয় এই অঞ্চলে মার্কিন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার গভীর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।


কলকাতায় আ.লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

কলকাতায় আ.লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জুলাই বিপ্লবের পর দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। এ ঘটনায় কলকাতায় অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার গঠনের পর অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়। এরই অংশ হিসেবে গত ২০ মে কলকাতার মার্কুইজ স্ট্রিট এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। ওই সময় আহাদ বাপ্পী ও রোহানুল ইসলাম নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আহাদ বাপ্পী বংশাল থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং রোহানুল ইসলাম সাভার থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারের পর কলকাতায় অবস্থানরত কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা তাদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে পার্ক স্ট্রিট থানায় তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় কলকাতায় অবস্থানরত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে বিস্ময় ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তাদের ধারণা ছিল, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তারা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ থাকবেন। তবে সাম্প্রতিক অভিযান সেই ধারণা বদলে দিয়েছে।

কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এর ফলে বাংলাদেশে জুলাই বিপ্লবের পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগ নেতাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কিছুই বলা হয়নি। এ অনিশ্চয়তার মধ্যে আওয়ামী লীগের দুই নেতার গ্রেপ্তার বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জুলাই বিপ্লবে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে গতকাল রোববার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে আটকদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, এসব সেন্টারে সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন পর্যন্ত রাখা যাবে। শুধু সন্দেহভাজন নন, এর আগে যারা আটক হয়েছেন, তাদেরও এ হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে।

Saturday, May 16, 2026

বাংলাদেশের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিলে ছাড় দেয়া হবে না: শুভেন্দু

বাংলাদেশের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিলে ছাড় দেয়া হবে না: শুভেন্দু

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ যারা মা, বোন, শিশুকন্যাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন করে এখনও বাংলাদেশের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বলে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের ছাড় দেয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর শনিবার (১৬ মে) প্রথম জেলা সফরে গিয়ে এক জনসভায় এমন মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সফরে প্রথমে ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন শুভেন্দু। সেখানে জেলার পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারাদের পাশাপাশি মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা), এডিজিসহ (দক্ষিণবঙ্গ) অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ভার্চুয়ালি এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সমস্ত জেলার পুলিশ সুপাররা। ওই বৈঠক থেকে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠকে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে গঠিত পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এটি একটি নির্দিষ্ট দলের শাখা সংগঠনে পরিণত হয়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর হওয়ার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে তার ক্ষতিপূরণ নেয়া এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস)র বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সোজা চলে যান ফলতায়। সেখানে একটি কর্মীসভায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। এ সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘তৃণমূলের কোনও নেতাকর্মী যদি ঘর ছাড়া থাকে তাদের বাড়ি ফেরানোর দায়িত্ব স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক এবং পুলিশ সুপারের। কিন্তু সেক্ষেত্রে একটাই শর্ত-ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যেন তার নাম না থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা মা, বোন, দিদি, শিশু কন্যাদের উপর শারীরিক নির্যাতন করে এখনও বাংলাদেশের জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদেরও ছাড় দেয়া হবে না।’

Thursday, May 14, 2026

আইনজীবীর পোশাকে কলকাতা হাইকোর্টে ফিরলেন মমতা ব্যানার্জি

আইনজীবীর পোশাকে কলকাতা হাইকোর্টে ফিরলেন মমতা ব্যানার্জি

 তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ 

মমতা ব্যানার্জি 

নির্বাচনে পরাজয়ের পর নিজের পুরনো পেশায় ফিরেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোট পরবর্তী সহিংসতার মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানিতে অংশ নেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। মুসলিম ও রাজনৈতিক বিরোধীদের লক্ষ্য করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও খুনের অভিযোগ উঠেছে। সহিংসতায় অন্তত ৪ জন নিহত এবং ১০০০ জনের বেশি আটক হয়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মতে, ভোট পরবর্তী এসব সহিংসতার জন্য মামলা দায়ের করেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে, বহু কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া এবং আক্রান্ত হয়েছেন। সেই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

 

এই মামলার শুনানিতে অংশ নিতেই আইনজীবীর পেশায় ফিরেছেন মমতা ব্যানার্জি। আইন নিয়ে পড়াশোনা রয়েছে তার এবং একসময় তিনি আইন পেশার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। যদিও চলতি বছরের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টে এক মামলার শুনানিতে তিনি সাধারণ পোশাকেই অংশ নিয়েছিলেন, তবে এবার সম্পূর্ণ আইনজীবীর পোশাকেই আদালতে হাজির হলেন তিনি।

 

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন মমতা। বর্তমানে তিনি বিধায়ক নন, শুধুমাত্র তৃণমূল নেত্রী হিসেবেই রাজনৈতিক লড়াই চালাচ্ছেন। এবার ভোট পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় আইনজীবী হিসেবে আদালতে ফিরলেন তিনি।

 

আইনজীবীর পোশাক পরেই আজ সকালে কলকাতার কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন মমতা। হাইকোর্টে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তাকে ঘিরে কৌতূহলী ভিড় জমে যায়। তবে কোনো মন্তব্য না করেই দ্রুত আদালতের ভেতরে ঢুকে যান তিনি।

 

আদালতের শুনানিতে অংশ নিয়ে মমতা প্রথমেই জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি একজন আইনজীবী। আইনজীবী হিসেবেই তিনি শুনানিতে অংশ নিতে চান। ভোট পরবর্তী সহিংসতা তিনি জানান, ৯২ বছর বয়সি বৃদ্ধ থেকে ১৮-র তরুণ-তরুণী, সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যালঘু ও তফসিলি জাতি মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

 

তিনি জানান, তাকেও বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুলিশের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছেন, কিছু তাতেও কাজ হচ্ছে না। কলকাতায় বুলডোজার চালানোরও তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি। মমতা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘এটা বাংলা, উত্তরপ্রদেশ নয়। বাংলাকে বাঁচাতে হবে।

আদালতে তৃণমূল রাজনীতিক কল্যাণ ব্যানার্জি জানান, নির্বাচনের পর তৃণমূলের ১৫০-১৬০টি কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে, রাজ্যজুড়ে ভাঙচুর চলছে, বুলডোজার চালানো হচ্ছে। বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার প্রসঙ্গে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। আবেদন জানানো হয়, আদালতের নির্দেশ ছাড়া যেন এ রাজ্যে বুলডোজার চালানো না হয়। 

Sunday, May 10, 2026

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থালাপতি বিজয়ের শপথ গ্রহণ

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থালাপতি বিজয়ের শপথ গ্রহণ

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন থালাপতি বিজয়। আজ রোববার (১০ মে) চেন্নাইয়ের জওহর লাল নেহরু স্টেডিয়ামে ৯ মন্ত্রীসহ তিনি শপথ নেন। এরমাধ্যমে তার নেতৃত্বে রাজ্যটিতে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে।

তার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ভারতীয় কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। এছাড়া সেখানে অন্যান্য দলের নেতারাও ছিলেন।


থালাপতি বিজয়কে শপথ পড়ান সেখানকার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকার।

Saturday, May 9, 2026

অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে অভিনেতা সি জোসেফ থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন দল টিভিকে। বিদুথালাই চিরুথাইগল কাছি (ভিসিকে) এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ায় জোটের আসনসংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ১২০-এ, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ আসনের সীমা অতিক্রম করেছে।

এর ফলে তামিলনাড়ুতে প্রথমবারের মতো জোট সরকার গঠনের পথ প্রায় পরিষ্কার হয়ে গেছে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ নেওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।

ভিসিকে ও আইইউএমএল দুই দলেরই রয়েছে দুটি করে বিধায়ক। তাদের সমর্থন যুক্ত হওয়ায় নির্বাচনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেছে। টিভিকে সদর দপ্তরে এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় উদযাপন।

এদিকে ভিসিকের পক্ষ থেকে রাজ্যপালআরভি আর্লেকারকে পাঠানো সমর্থনপত্রে বলা হয়েছে, তামিলনাড়ুর জনগণের জন্য স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক সরকার নিশ্চিত করতেই তারা বিজয়ের নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন দিচ্ছে।


ভিসিকে সভাপতি থোল থিরুমাভালাভানের পক্ষ থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে দলটির দুই বিধায়কের সমর্থনের কথা উল্লেখ করা হয়। চিঠিতে আরো বলা হয়, সরকার গঠনের স্বার্থে এই সমর্থন নিঃশর্তভাবে দেওয়া হয়েছে।


এখন পরবর্তী ধাপে বিজয় জোটের সব ১১৮ বিধায়কের সমর্থনপত্র রাজ্যপালের কাছে জমা দিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। এরপর রাজ্যপাল তাকে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।


Wednesday, May 6, 2026

পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ বুধবার (৬ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, আগামী শুক্রবার ৮ মে কলকাতায় বিজেপির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে। সেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে দলের নেতা হিসেবে নির্বাচন করা হবে।
দলীয় নেতা হিসেবে শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব করবেন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি সমিত ভট্টাচার্য। এরপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আইনসভা পার্টির নেতা হিসেবে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করবেন। এতে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পথ খুলবে শুভেন্দুর।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের আইনসভার নির্বাচন হয়। এরপর ৪ মে ভোটগণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
এবারের নির্বাচনে হেরে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেখানকার ভবানিপুর আসনে নির্বাচন করেন তিনি। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শুভেন্দু। মমতাকে ভবানিপুরে ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন শুভেন্দু।
বিজেপির এ নেতা ভবানিপুরের পাশাপাশি নন্দিগ্রাম নামে একটি আসনেও নির্বাচন করেন। সেখানেও বড় ব্যবধানে জেতেন তিনি। আগামী ১০ দিনের মধ্যে তিনি একটি আসন ছেড়ে দেবেন।
আগামী ৯ মে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেবেন শুভেন্দু। এ পর্যন্ত দলীয় সমর্থকদের কোনো উৎসব না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।