Showing posts with label মতামত. Show all posts
Showing posts with label মতামত. Show all posts

Monday, January 27, 2025

উপ- সম্পাদকীয়, রাজনীতিতে বাড়ছে ইসলামী দলগুলোর গুরুত্ব - বেলাল হোসেন

উপ- সম্পাদকীয়, রাজনীতিতে বাড়ছে ইসলামী দলগুলোর গুরুত্ব - বেলাল হোসেন

 

৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলোর গুরুত্ব বেড়ে চলছে।এরমধ্যে রাজনীতিতে একটা অভ্যুতপুর্ব ঘটনা ঘটে গেছে ।ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো গুরুত্ব পাওয়া শুরু করেছে বলে মনে হচ্ছে।এর জন্য জামায়াতের আমীরকে আমি বিশেষ কৃতিত্ব দিব 

আমীরে জামায়াত চরমোনাই পীরের সাথে গত মঙ্গলবার সৌজন্যে সাক্ষাৎ এরপরেই রাজনীতির মাঠে এই হাওয়া বইতে শুরু করছে।

২০২২ সালের পর থেকে ইসলামী দলগুলোকে এড়িয়ে চলা বিএনপির এখন টনক নড়েছে ,

জামায়াতের আমীরের সাথে চরমোনাই পীর সাহেব এর সাক্ষাৎ এরপর বিএনপি হঠাৎ করেই খেলাফত আন্দোলনের সাথে মিটিং করেছে ।

আজকে  চরমোনাই অফিসে বিএনপির মহাসচিব উপস্থিত হয়ে চরমোনাই আমিরের সাথে মিটিং করে ১০ দফা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বলে জানা গেছে। বিএনপি এই মিটিং গুলো তাদের বাম ঘরানার নেতাদের উপেক্ষা করেই করেছেন বলে ধারণা করা যায়।কারন ইসলামী রাজনীতিকে ধর্মব্যবসা, চরমোনাইকে আওয়ামী লীগের দোসর জামায়াতকে রাজাকার গালাগাল দেয়া বিএনপির একটা অংশের অব্যাহত থাকার মাঝেই এগুলো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হচ্ছে । ইসলামী দলগুলোর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার মাধ্যমে বিএনপির বামধারা কিছুটা ব্যাকফুটে যাবে, ইসলাম বিরোধী বক্তব্য দেওয়া থেকেও তারা বিরত থাকবে। দলীয় এবং ভোটের প্রয়োজনেই তারা সেটা করতে বাধ্য হবে, এটি আসলে ইসলামপন্থী রাজনীতির নগদ লাভ ।

তবে ইসলামী দলগুলোর এই নগদ লাভের সাথে সাথে ইসলামের বৃহৎ স্বার্থে তাদের আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি নির্বাচনী জোট নিয়ে সিরিয়াসলি ভাবা দরকার।

চরমোনাই জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎই যদি ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর গুরুত্ব এভাবে বৃদ্ধি পায়,  সেক্ষেত্রে যদি সত্যিই ইসলামী দল গুলো ছোটখাটো মতপার্থক্য  ভুলে রাজনৈতিক বা নির্বাচনী জোট করতে পারে তাহলে, আগামী সংসদে জামায়াতের সাথে ইসলামী দলগুলো সংসদে ভাল সংখ্যায় আসন নিয়ে ভুমিকা রাখতে পারবে বলেই আমার ধারনা

এর মাধ্যমে তারা সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দলের ভুমিকায় অবতীর্ণ হতে পারবে এবং এর সাথে ছাত্রদের নতুন দলকে যদি এই বিরোধী জোটে নিতে পারে তাহলে বিএনপির এককভাবে সরকার গঠনকেই চ্যালেঞ্জ করতে পারবে বলেই আমার ধারনা।

Wednesday, January 22, 2025

গণতন্ত্রে উত্তরণে এই বছরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ

গণতন্ত্রে উত্তরণে এই বছরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ


সম্পাদকীয়

রাজনীতি ও অর্থনীতির বহুমুখী চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে শুরু হয়েছে নতুন বছরের যাত্রা। গণতন্ত্রে উত্তরণে এই বছরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনের অপেক্ষায় সব পক্ষ। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ বা পরিকল্পনা এখনো সরকারের তরফে প্রকাশ করা হয়নি। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে শুরুতে রাষ্ট্র সংস্কারের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল তার প্রস্তাব আসা শুরু হয়েছে। সংস্কারের জন্য গঠিত চারটি কমিশন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বাকি কমিটিগুলো রিপোর্ট তৈরির কাজ করছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, পুলিশ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রস্তাবে নানা গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ এসেছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন রাষ্ট্রীয় মূলনীতি পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে। তারা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক নাম পরিবর্তন করে ‘জনগণতন্ত্রী’ বাংলাদেশ করার প্রস্তাব করেছে। নির্বাচন সংস্কার কমিশনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছে। এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। 

জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ দিতে ব্যাপক চেষ্টা চালাচ্ছে। এই ঘোষণাপত্রটি সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে না হলে রাজনীতিতে নতুন জটিলতা তৈরি করতে পারেÑ এমনটি রাজনৈতিক দল ও সরকার আশঙ্কা করছে। এজন্য সর্বদলীয় বৈঠক করে দলগুলোর মতামত নেয়া হয়েছে। সামনে আরও সময় নেয়ার পরামর্শ এসেছে। সংস্কারের রূপরেখা তৈরি, জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সামনে এসব ইস্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে টানাপড়েন জারি থাকবেÑ এমনটা ধারণা করছেন অনেকে। 

Wednesday, January 15, 2025

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভাবনা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভাবনা

 

আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোও ধ্বংস হয়ে যায়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে চলে তামাশা, প্রহসন ও ভোট ডাকাতির উৎসব। সংঘটিত হয় সহিংসতা। আওয়ামী লীগের তাণ্ডবে টিকতে না পেরে প্রধান প্রধান বিরোধীদলসমূহ স্থানীয় সরকারের সর্বশেষ নির্বাচনগুলোতে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকে। ফলে অধিকাংশ মেয়র, কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং মেম্বারদের পদগুলো আওয়ামী নেতাদের দখলে চলে যায়।