Showing posts with label জাতীয়. Show all posts
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts

Thursday, July 30, 2026

কাজিদের আয় ১৪৪০ কোটি, সরকারের কোষাগারে নেই ১ শতাংশও

কাজিদের আয় ১৪৪০ কোটি, সরকারের কোষাগারে নেই ১ শতাংশও

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ অনিয়ম, ঘুষ, লাইসেন্স ভাড়া ও বিপুল রাজস্ব ফাঁকির এক অগোছালো জালে বন্দি দেশের মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা। সরকারের নামে কোটি কোটি টাকা কমিশন আদায় হলেও সেই অর্থের ১ শতাংশও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে লাইসেন্স বাণিজ্য, রাজনৈতিক সুপারিশ, ভুয়া প্রতিনিধি নিয়োগ এবং আয়কর ফাঁকির মতো নানা অনিয়মে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে পুরো নিকাহ নিবন্ধন ব্যবস্থা।

আইন মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও কালবেলার অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) রয়েছেন প্রায় ৬ হাজার। গড়ে একজন কাজির মাসিক আয় প্রায় ২ লাখ টাকা হিসেবে বছরে এ খাতে মোট লেনদেন বা আয় দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। অথচ বিয়ের সময় সরকারের নামে কমিশন বা নিবন্ধন ফি আদায় করা হলেও সেই অর্থের ১ শতাংশও সরকারি কোষাগারে জমা পড়ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। অনিয়মের এখানেই শেষ নয়; লাখ লাখ টাকার ঘুষ-বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সুপারিশে লাইসেন্স পাওয়া এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। অনৈতিকভাবে নিয়োগ পাওয়া এসব কাজি আবার ভুয়া প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে নিজের ‘কমিশনটা’ ঠিকই আদায় করে নিচ্ছেন। কিন্তু সরকারের ন্যায্য পাওনাটা দিতে তাদের অনীহা।

বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, দেনমোহরের প্রথম ৫ লাখ টাকার ক্ষেত্রে প্রতি ১ হাজার টাকায় ১৪ টাকা হারে নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এই অর্থ আদায়ের পর তার কতটুকু সরকার পাচ্ছে, সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কাছেও কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাজিদের বার্ষিক ফি বা কমিশন জমার হিসাব সংরক্ষণের দায়িত্ব তাদের নয়।



অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, একজন কাজি হতে জেলা পর্যায়ে ৩ থেকে ১০ লাখ এবং রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক সুপারিশ ছাড়া লাইসেন্স পাওয়া কঠিন বলেও জানিয়েছেন একাধিক নিবন্ধিত কাজি। অভিযোগ রয়েছে, মন্ত্রণালয়, জেলা রেজিস্ট্রি অফিস এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়মিত মাসোহারা ও সমিতির নামে চাঁদাও দিতে হয়।

এদিকে অনেক নিবন্ধিত কাজি নিজে দায়িত্ব পালন না করে লাইসেন্স ভাড়া দিয়ে প্রতিনিধি দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কোথাও কোথাও একটি নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তি বিবাহ নিবন্ধনের কাজ করছেন, যদিও আইনে এমন কোনো সুযোগ নেই। এতে মাঠপর্যায়ে জবাবদিহি ও তদারকি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

সরকারের করনীতি অনুযায়ী, বছরে ৪ লাখ টাকার বেশি আয় হলে আয়কর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু ঢাকার অভিজাত এলাকা ছাড়াও অধিকাংশ এলাকার ওয়ার্ডে একজন কাজি মাসে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা আয় করেন। এসব কাজি লাইসেন্সের বিপরীতে বছরে নামমাত্র টাকা পরিশোধ করে বাকি সব টাকাই হাতিয়ে নেন। কিন্তু সরকারকে আয়কর দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের তীব্র অনীহা লক্ষণীয়। কোনো কোনো কাজি আবার নিজের স্থাবর সম্পত্তির ওপর আয়কর দিয়ে কাজি পেশার আয় গোপন করেন। রাজধানীর একজন কাজি কম করে হলেও বছরে অর্ধকোটি টাকা আয় করেন।



অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তি কাজি হিসেবে কাজ করছেন, যার ফলে মাঠপর্যায়ে জবাবদিহি ও তদারকি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ ধরনের অনিয়মের কারণে পুরো বিবাহ নিবন্ধন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রায় ৩০০ কাজির নিবন্ধন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হলে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। বর্তমানে এসব বিষয়ে একাধিক মামলা ও রিট বিচারাধীন রয়েছে।



আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিচার শাখা-৭-এর সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আবদুল ওয়াহাব কালবেলাকে বলেন, ‘সারা দেশে প্রায় ৬ হাজার রেজিস্ট্রারভুক্ত কাজি আছেন। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৫ শতাধিক কাজির কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।’ তবে কাজিদের বার্ষিক ফি বা সরকারের রাজস্ব আয়ের তথ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এই তথ্য রাখার দায়িত্ব আমাদের না।’



এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব বলেন, কাজিদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম কমাতে সরকার পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ডিজিটালাইজেশন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।



অন্যদিকে বাংলাদেশ মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সভাপতি অধ্যক্ষ ড. মো. গোলাম কিবরিয়া দাবি করেন, নিয়ম অনুযায়ী সরকারের নামে আদায়কৃত কমিশন বছরে দুবার কোষাগারে জমা দেওয়া হয় এবং কাজিরা আয়করও পরিশোধ করেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, কিছু ভুয়া কাজি বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।



বিশেষজ্ঞদের মতে, শতভাগ ডিজিটাল পেমেন্ট, কেন্দ্রীয় হিসাব নম্বর, অনলাইন মনিটরিং, স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং লাইসেন্স ভাড়া দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করা গেলে রাজস্ব ফাঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে সরকারের আয় বাড়বে এবং মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

সূত্রঃ দৈনিক কালবেলা।

Saturday, July 25, 2026

মাসে ৯০ হাজার টাকা পেনশনসহ যেসব সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি

মাসে ৯০ হাজার টাকা পেনশনসহ যেসব সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি

 তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ 

মাসে ৯০ হাজার টাকা পেনশনসহ যেসব সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগের পরও সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজীবন পেনশন, মন্ত্রীর সমান চিকিৎসা সুবিধা, নিরাপত্তা, সরকারের দেওয়া অফিস-স্টাফ, কূটনৈতিক পাসপোর্টসহ নানা সুবিধা পাবেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে বেতনের ৭৫ শতাংশ হিসেবে মাসে ৯০ হাজার টাকা পেনশন পাবেন। ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির বেতন বৃদ্ধি পেলে পেনশনের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে।

২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইনে বলা হয়েছে, সাবেক রাষ্ট্রপতিরা কী সুবিধা পাবেন। তবে এই সুবিধা পেতে অন্তত ছয় মাস রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন তিন বছর তিন মাস বঙ্গভবনে ছিলেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন কর্মজীবনে জেলা জজ ছিলেন। আইন অনুযায়ী, তিনি যে কোনো একটি পেনশন পাবেন। মৃত্যুর পর তাঁর দুই তৃতীয়াংশ পেনশন সুবিধা কার্যকর হবে।

আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেন্ড্যান্ট এবং অফিস পরিচালনার খরচ পাবেন সরকারের কাছ থেকে। ব্যয় কত হবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার।

একজন মন্ত্রীর সমান চিকিৎসা-সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি। একজন মন্ত্রী দেশে ও বিদেশে শতভাগ সরকারি খরচে চিকিৎসা সুবিধা পান। রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও এই সুবিধা পাবেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিলে বিনা খরচে সরকারি যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। বাসায় ব্যবহারের জন্য টেলিফোন পাবেন। নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত বিল সরকার পরিশোধ করবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর স্ত্রী কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাবেন। তাঁরা দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের সময় সরকারি সার্কিট হাউস বা রেস্ট হাউসে বিনা ভাড়ায় থাকতে পারবেন। তবে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইসব সুবিধা পাবেন যদি ভবিষ্যতে কোনো সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হন। নৈতিক স্খলনের কারণে দণ্ডিত হলে অবসর সুবিধা বাতিল হবে।

চাইলে মাসিক পেনশনের বদলে এককালীন অর্থও নিতে পারবেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। তবে এ জন্য অবসরে যাওয়ার এক মাসের মধ্যে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইচ্ছাপোষণ করতে হবে।

Friday, July 24, 2026

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল চারটার দিকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে এই পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি জানায়, কোনো রাজনৈতিক চাপে নয়, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি।

এদিকে বিকেল পাঁচটায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ‘রাষ্ট্রপতির বিষয় নিয়েই এই ব্রিফিং ডাকা হয়েছে।’


উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। পরে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষপদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।

Thursday, July 23, 2026

‘প্রশ্নটা বিব্রতকর’, পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি

‘প্রশ্নটা বিব্রতকর’, পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবারই (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, আগামীকাল দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন।

অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের কথা জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছে দেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। আলাপকালে পদত্যাগসংক্রান্ত প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগ ও বিদেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে মুখ খোলেন।

পদত্যাগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।’

সম্প্রতি লন্ডনে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো ফোনালাপ হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে।’

আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা, এটাই বলতে পারি,’ যোগ করেন রাষ্ট্রপতি।

এদিকে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক সফরে গিয়েছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাইয়ের (রোববার) জন্য তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন।

সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফর সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরবেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি।

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত বা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক।

Tuesday, July 21, 2026

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না যারা, ইসির সিদ্ধান্ত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না যারা, ইসির সিদ্ধান্ত

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপি এবং খেলাপি ঋণের জামিনদাররা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে কমিশনের একটি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

 

 

 ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক আশাদুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন। আশাদুল হক জানান, বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাশুদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, বেগম তাহমিদা আহমেদ ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

তিনি আরও জানান, বৈঠকে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন সংশোধনের বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। নির্বাচন কমিশন আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো চূড়ান্ত করছে।

 

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। উল্লেখ্য, আগামী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

সূত্রঃ ইসি ।

Thursday, July 16, 2026

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর আটক

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর আটক

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) । বৃহস্পতিবার তাকে আটক করা হয়।

তিনি গত ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন। তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে গোয়েন্দা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস

আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস

সম্পাদকীয় কলাম ঃ আজ ১৬ জুলাই, ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস। ২০২৪ সালের আজকের দিনে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলা ছাত্র আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ নিহত হন। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং আন্দোলন নতুন মোড় নেয়। একই দিনে চট্টগ্রাম ও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকজন নিহত হন।

 
এই দিনটি উপলক্ষে সারা দেশে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, শোক ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা হচ্ছে।
 
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও গুলি চালায়। এতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
 
দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে এবং দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

একই দিনে চট্টগ্রামে সংঘর্ষে কলেজশিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম, ওমরগণি এমইএস কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ এবং ফার্নিচার কর্মচারী মো. ফারুক নিহত হন। রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় সংঘর্ষে প্রাণ হারান হকার মো. শাহজাহান ও সাবুজ আলী। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, ওই দিন অন্তত ছয়জন নিহত হন।
 
ঘটনার পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি জেলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং আবাসিক হল খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়।


১৬ জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষ আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে।


জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বাণীতে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, আবু সাঈদের আত্মত্যাগ অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাতির প্রতিরোধের প্রতীক। শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনও পৃথক বাণীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

গত বছর থেকে ১৬ জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার দিন হিসেবে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস পালন করা হচ্ছে।

Friday, July 10, 2026

ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা, নেতাকর্মীদের নিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা

ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা, নেতাকর্মীদের নিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার পরিকল্পনা করছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাও তার সঙ্গে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে দেশে ফেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমনকি প্রাণনাশের ঝুঁকিও থাকতে পারে।

তবে তিনি বলেন, নিজের দেশের মাটিতেই তিনি এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চান। শেখ হাসিনা ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ছাড়েন এবং ভারতে অবস্থান করছেন। এরপর বাংলাদেশের একটি আদালত তাকে অনুপস্থিতিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন চলছে এবং দলকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত।


রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ ভারত বর্তমানে তাকে আশ্রয় দিয়েছে এবং বাংলাদেশ তাকে ফেরত চেয়েছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের জন্য ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম চালানোর কথাও জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক।

Wednesday, June 10, 2026

বাংলাদেশে সাড়ে ৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় নাগরিক, চাকরী করছেন বিভিন্ন সেক্টরে

বাংলাদেশে সাড়ে ৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় নাগরিক, চাকরী করছেন বিভিন্ন সেক্টরে

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ 

সরকারি হিসাবে এই মুহূর্তে দেশে প্রায় ২৫ হাজার বিদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিক সবচেয়ে বেশি। তাদের সংখ্যা সাড়ে ৮ হাজার। তারা অবৈধভাবে বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি বলে জানা গেছে। এদিকেবাংলাদেশি উল্লেখ করে ভারত থেকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা চালালেও সেই পথে হাঁটছে না ঢাকা। বাংলাদেশ চায়নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অবৈধ ভারতীয়দের সেই দেশে হস্তান্তর করতে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে ইতোমধ্যে ভারতকে বেশ কয়েকটি চিঠি দিয়েছে সরকার। কিন্তু এসব চিঠিকে খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে না ভারত। উলটো তারা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে লোক ঠেলে দেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। অথচ বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতের অবৈধ নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেওয়ার্ক পারমিট বা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে থেকে যাওয়া এবং অবৈধভাবে কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি এখন দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্যুরিস্ট বা বিজনেস ভিসায় এসে আর ফিরে না গিয়ে এখানেই থেকে যাওয়ার প্রবণতা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। ভারতীয় নাগরিকরা মূলত দুটি উপায়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। প্রথমতঅধিকাংশ ভারতীয় নাগরিক বৈধ ট্যুরিস্টবিজনেস বা অনঅ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তারা দেশে ফিরে যান না। দ্বিতীয়ততৈরি পোশাক খাতটেক্সটাইলবায়িং হাউজকরপোরেট প্রতিষ্ঠানতথ্যপ্রযুক্তি খাত এবং বিভিন্ন এনজিওতে মধ্যম থেকে উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় বহু ভারতীয় কাজ করছেন। এদের অনেকেরই বৈধ ওয়ার্ক পারমিট বা আয়কর নথি নেই।

সূত্র জানায়অবৈধভাবে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকরা হুন্ডি বা বিভিন্ন অবৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল অর্থ ভারতে পাঠাচ্ছেন। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি করছে। বৈধ ওয়ার্ক পারমিট না থাকায় তারা সরকারকে কোনো আয়কর বা ট্যাক্স দেন না। ফলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। শুধু তাই নয়বাংলাদেশের শিক্ষিত ও দক্ষ যুবসমাজ যখন উচ্চপদস্থ চাকরির জন্য লড়াই করছেতখন টেক্সটাইল ও করপোরেট খাতের অনেক শীর্ষ পদ বিদেশিবিশেষ করে ভারতীয় নাগরিকদের দখলে চলে যাচ্ছে। এছাড়া লিগ্যাল ডকুমেন্ট ছাড়া বসবাসকারী এসবের কিছু নাগরিক বিভিন্ন সময় জালিয়াতি এবং আর্থিক প্রতারণায় জড়িয়ে পড়ছেন। যথাযথ ট্র্যাকিং সিস্টেম না থাকায় অপরাধ করার পর এদের চিহ্নিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।

সূত্রমতেবাংলাদেশে অবৈধভাবে কর্মরত ভারতীয়দের ৫০ ভাগের বেশি তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল সেক্টরে নিয়োজিত। তারা ঢাকার সাভারআশুলিয়াগাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ডাইংওভেন এবং নিটওয়্যার ফ্যাক্টরিতে কাজ করছেন। তাদের বেশির ভাগের পদবি মার্চেন্ডাইজারটেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারওয়াশিং ও ডাইং এক্সপার্ট এবং ফ্লোর ম্যানেজার। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ছোটবড় বায়িং হাউজে বিদেশি বায়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোলের জন্য অনেক ভারতীয় নাগরিক কাজ করছেন। এ সেক্টরে তাদের হার ১৫ থেকে ২০ ভাগ। বিভিন্ন বেসরকারি বড় গ্রুপ অব কোম্পানিজ এবং কিছু ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে মধ্যম ও উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় ভারতীয়রা কাজ করছেন। এদের হার ১০ থেকে ১২ ভাগ। বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল আইটি সেক্টরে ৫ থেকে ৮ ভাগ ভারতীয় টেকনিশিয়ান কাজ করছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরামর্শক বা কনসালট্যান্ট হিসাবে ৩ থেকে ৫ ভাগ ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে কাজ করছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছেইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবিসমন্বয়ে গঠিত টিম বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়সহ ও অন্যসব বিদেশি নাগরিকের একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি যেসব পোশাক কারখানাবায়িং হাউজ বা করপোরেট প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিচ্ছেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। এছাড়া তিন মাস বা স্বল্পমেয়াদি ভিসায় এসে যেন কেউ কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে না পারেসেজন্য কঠোর ভিসা ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। অন্যদিকে পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আইনি ফ্রেমওয়ার্ক কঠোরভাবে বজায় রাখা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার বলেনপাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবিসমন্বয়ে গঠিত টিম অবৈধ বিদেশিদের সংখ্যা আমাদের দিয়েছে। তাদের সবার নামপরিচয় আমরা চেয়েছি। নামপরিচয় পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি তাদের আশ্রয়দাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

Saturday, June 6, 2026

১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালীকরণে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে (৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং পরিদর্শন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার নির্দেশনা জারি করেছে।

অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী আদেশে সই করেন।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরাধীন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।


আদেশে উল্লেখ করা হয়, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীদের জন্য অধিকতর সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের অনেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংখ্যা সীমিত হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।

শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে উপজেলা পর্যায়েই অধিকসংখ্যক রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং জেলা সদর হাসপাতালের ওপর চাপও কমবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমূহ পরিদর্শন করবে। এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে অবকাঠামোগত সক্ষমতা, বিদ্যমান ভবন, সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং অতিরিক্ত শয্যা স্থাপনের উপযোগিতা যাচাই করা হবে।


নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) পরিদর্শন দলের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বলা হয়েছে।

Tuesday, June 2, 2026

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমান, কত ভোটে জিতলেন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমান, কত ভোটে জিতলেন

পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। 


তিনি সাইপ্রাসের বহুপক্ষীয়তাবিষয়ক বিশেষ দূত আন্দ্রেজ কাকাউরিস হারিয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পদে এক বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (২ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদকক্ষে আনুষ্ঠানিক নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। 

জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ৯৯টি দেশ বাংলাদেশের প্রার্থী খলিলুর রহমানকে ভোট দিয়েছে। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসের পক্ষে ভোট পড়েছে ৯১টি।

এ নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে দ্বিতীয়বারের মতো বসছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি।

৪০ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী। 

রাজনীতিতে যোগদানের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের ফাঁকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

Thursday, May 14, 2026

আপাতত শপথ নিতে পারছেন না আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলম

আপাতত শপথ নিতে পারছেন না আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলম

 

আসলাম চৌধুরী                সারোয়ার আলমগীর 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সদস্য হিসেবে ফলাফল ঘোষণা ও শপথ গ্রহণের অনুমতি চেয়ে করা চট্টগ্রামের বিএনপি দলীয় দুই প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের পৃথক আবেদন নথিভুক্ত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ আপিল শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। এর ফলে সংসদ সদস্য হিসেবে আপাতত তারা শপথ নিতে পারছেন না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির দুই প্রার্থী চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-২ আসনের সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনে অংশ নেন। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে তাঁদের ফলাফল প্রকাশ গত ৩ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত রাখা হয়েছে। এদিকে, এই দুই আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চেয়ে অনেক বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

এর আগে ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দেন। এরপর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে আপিল বিভাগে আবেদন করে। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল দায়ের করেন। এরপর গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।

এদিকে, ঋণ খেলাপের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থী মুহম্মদ নুরুল আমিন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারোয়ার আলমগীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। এ অবস্থায় ফলাফল ঘোষণা ও শপথের সুযোগ চেয়ে সারোয়ার আলমগীর আবেদন করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সংসদ সদস্যদের শপথ ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। তবে সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।

Sunday, May 18, 2025

আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখছে জামায়াত

আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখছে জামায়াত



তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃআগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একেবারেই সঠিক ও সুষ্ঠু হবে-এরকম পরিস্থিতি দেখার কোন অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

রোববার সকাল সাড়ে দশটায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপের শুরুতে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে সংঘাত প্রসঙ্গে ডা. তাহের বলেন, এরই মধ্যে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। পাবনায় জামায়াতের নেতা কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। এখনো নির্বাচন ঘোষণা করা হয়নি, তার আগেই জায়গা দখল, এলাকা দখল চলছে। তাই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সরকারের আরো কঠোর হওয়াসহ যা যা করা দরকার করা উচিত। সংস্কার শেষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দিতে হবে।

ডা. তাহের আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের কিছু ভূমিকা আরও প্রশ্নবিদ্ধ মনে হচ্ছে। সরকার যেন সেদিকে খেয়াল রাখে। নির্বাচনের আগেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ঠিক করতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সুস্পষ্ট টাইমলাইন না থাকায় অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তাই বেশি সময় না নিয়ে সংস্কারের বিষয়ে একটা ঐকমত্যে পৌঁছানো উচিত।

সংস্কার বিষয়ে তৃতীয় বারের মতো ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জামায়াত। ডা. তাহেরের নেতৃত্বে জামায়াত প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।


সূত্রঃ দৈনিক আমারদেশ।

Saturday, May 17, 2025

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বরখাস্ত সৈনিক নাইমুলসহ গ্রেপ্তার ২

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বরখাস্ত সৈনিক নাইমুলসহ গ্রেপ্তার ২



তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃনাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনার অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বরখাস্ত সৈনিক নাইমুল ইসলাম এবং তাঁর দুই সহযোগীকে রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআরের ভাষ্যমতে, গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর থেকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বরখাস্ত সেনাসদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য প্রচার করছিলেন নাইমুল। এরই অংশ হিসেবে রবিবার (১৮ মে) ঢাকার সেনানিবাস ঘিরে বড় ধরনের বিক্ষোভ ও নাশকতার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।

সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল শনিবার দুপুর ২টার দিকে খিলক্ষেতের বটতলা বাজার এলাকায় নাইমুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা ওই দলের ওপর অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে হামলা চালান। পরে আশপাশের সেনা ক্যাম্প থেকে একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এর আগে নাইমুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন, শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন এবং সামরিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে সেনানিবাসকে ঘিরে নিরাপত্তা বিবেচনায় রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় সভা, সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার বিকেলে আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৮ মে রবিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা সেনানিবাস সংলগ্ন কচুক্ষেত সড়ক, বিজয় সরণি, প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় এলাকা, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ জাহাঙ্গীর গেট, বিএএফ শাহীন কলেজ, মহাখালী ফ্লাইওভার, সৈনিক ক্লাব মোড়, ভাষানটেক, মাটিকাটা ও ইসিবি চত্বর এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকবে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


সূত্রঃ Miror News দৈনিক আমার দেশ 
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগের দাবি ইশরাক অনুসারীদের

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগের দাবি ইশরাক অনুসারীদের



তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার পদত্যাগ দাবি করেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের অনুসারীরা।

ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বসানোর দাবিতে শনিবার নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়।

‘আসিফের কালো হাত ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও', ‘শপথ নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘অবিলম্বে ইশরাক হোসেনের শপথ চাই, দিতে হবে’, এমন নানা স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা।

ইশরাকের সমর্থকেরা বলছেন, আদালত রায় দিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করেছে। কিন্তু এখনো ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো হয়নি, তাকে তার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এর পেছনে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ষড়যন্ত্র রয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আমির হোসেন নামের একজন বলেন, 'আমরা অবিলম্বে আসিফ মাহমুদের পদত্যাগ চাই। এই সিটি করপোরেশন ছেড়ে তিনি যেন সচিবালয়ে গিয়ে অফিস করেন। নগর ভবনকে তিনি পৈত্রিক সম্পত্তি বানিয়ে রেখেছেন। আমরা তাকে আর এখানে দেখতে চাইনা। নগর ভবনে বসবেন নগরপিতা।'

লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘সচিবালয়ে গিয়েছিলাম জনগণের দাবি জানাতে। কিন্তু ব্যারিকেড দিয়ে আমাদের পথ আটকে রাখা হয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছি, কোনো বিশৃঙ্খলা করিনি।’

৬১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. রফিক বলেন, ‘আদালত রায় দিয়েছেন তিনি (ইশরাক) মেয়র। তাহলে কেন এত টালবাহানা করা হচ্ছে? আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি কেন দেখানো হচ্ছে?’

যাত্রাবাড়ী থেকে আসা শ্রমিক দলের নেতা হোসেন বলেন, ‘আমরা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই। শিগগিরই ইশরাক ভাইকে মেয়র হিসেবে শপথ দেওয়া হোক, এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।


সূত্রঃ দৈনিক আমারদেশ।

কবর থেকে এসে ভোট দেন ২০ লাখ ব্যক্তি!

কবর থেকে এসে ভোট দেন ২০ লাখ ব্যক্তি!



তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃশেখ হাসিনার আমলের তিনটি ভুয়া নির্বাচনে ২০ লাখের বেশি মৃত ব্যক্তি ভোট দিয়েছেন! প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরউদ্দিনের ভাষায়— ‘ওরা কবরবাসী ভোটার। কবর থেকে এসে ভোট দিয়েছেন।

দশম, একাদশ ও দ্বাদশ— এই তিন ভুয়া নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি দেশের ১২ কোটির বেশি ভোটার, যার মধ্যে নতুন সাড়ে চার কোটি। ওই নির্বাচনগুলোতে ভোট দিতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে পুরোনো তালিকার ভোটারদেরও।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) আশা করছে, আগামী নির্বাচনে ভোটারদের দীর্ঘদিন ভোট না দিতে পারার আক্ষেপ ঘুচবে। রাজনৈতিক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পর এবং ইসির ইতিবাচক বক্তব্য, ‘নতুন-পুরাতন সব ভোটারই পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন’— এমন মন্তব্যের পর এমন স্বপ্ন দেখছেন নবীন-প্রবীণ ভোটাররা।

অন্যদিকে ওই তিন নির্বাচনে জীবিত ভোটারদের সরব উপস্থিতিও কম ছিল। তবে মৃত ব্যক্তিদের পক্ষ হয়ে ভোট দিতে সরগরম ছিল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মী ও দোসররা। এ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ মদতপুষ্ট খলনায়ক তিন কমিশন। যে কারণে তারা ভোটার তালিকা থেকে মৃতদের বাদ দেয়নি; যার সংখ্যা ২০ লাখের বেশি। এবার হালনাগাদে বেরিয়ে আসা বিপুলসংখ্যক মৃত ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

গত ফেব্রুয়ারিতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের কাছে আক্ষেপ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন বলেন, মৃত ভোটার আমাদের ধারণার বাইরে ছিল। এর সংখ্যা ২০ লাখের বেশি।

বর্তমান কমিশন তরুণদের ভোটার করার জন্য দীর্ঘদিন পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে নতুনদের পাশাপাশি বাদ পড়া প্রচুর মানুষের সাড়া পেয়েছে। হালনাগাদে তথ্য সংগ্রহ হওয়া ৬০ লাখের মধ্যে গত ২৩ মার্চ পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে প্রায় ৪৯ লাখ। আগামী ১১ এপ্রিল নিবন্ধন শেষ হবে; বাকি সময়ের মধ্যে ইসির টার্গেট পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত ও মৃত ব্যক্তিদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় এবার নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন হবে বলে জানিয়েছেন সিইসি নিজেই। ফলে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা সরকার গঠন এবং রাজনৈতিক দলের জয়-পরাজয়ে ফ্যাক্টর হবেন— এমনটাই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দশম ও দ্বাদশ— এ দুটি সংসদ ছিল বিএনপি ও জামায়াতসহ বিরোধী দলবিহীন একতরফা নির্বাচন। ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। তবে কমিশন নিজেদের লজ্জা লুকাতে ভোটের হার বাড়িয়ে দায় এড়িয়েছিল। ওই দুটি নির্বাচনে যথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ৪০ দশমিক ৪০ শতাংশ দেখানো হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দশম ও দ্বাদশ সংসদে ৫ শতাংশের বেশি মানুষ ভোট দিতে কেন্দ্রে যাননি। সাবেক ইসি সচিব জাহাংগীর আলম দ্বাদশ সংসদ-পরবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা মঞ্চেই বলে বসেন যে, ৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েনি। তার এ বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়াসহ সর্বত্র ভাইরাল হয়। এসব তথ্য-উপাত্ত থেকে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়, বিতর্কিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৩২ শতাংশ লোকও ভোট দিতে যাননি।

অন্যদিকে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনটি সব দিক থেকেই ব্যতিক্রম ছিল। ভোটের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করায় আওয়ামী লীগের ভোটাররাও কেন্দ্রে যাননি। পুরো কেন্দ্র ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর দখলে। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর সমর্থকদের কিছুসংখ্যক সকালে কেন্দ্রে গেলে ফ্যাসিবাদী হাসিনার পেটোয়া পুলিশ বাহিনী জানায়, তাদের ভোটটি আগেই হয়ে গেছে। এ নিয়ে মানুষের আক্ষেপ ছিল ব্যাপক। ভোটারবিহীন এ নির্বাচনেও ভোটের হার দেখানো হয় ৮০ দশমিক ২০ শতাংশ। এ নির্বাচনে কিছু কিছু কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছিল।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে ভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মে (জেন-জি) ভোটারদের মধ্যে এ আগ্রহ বেশি। নির্বাচন কমিশনও বিভিন্ন বক্তব্য ও বিবৃতিতে মানুষকে আশ্বস্ত করছে। তারা বলছে, আগামী নির্বাচন হবে উৎসবমুখর। তাই নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সারা দেশের মানুষের তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত ভোটার তথ্য হালনাগাদ চলে। সেখানে ফরম পূরণ করেন ৬০ লাখ নাগরিক। ইসির তথ্যমতে, গত ২৩ মার্চ পর্যন্ত ৫০ লাখ ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন, যার মধ্যে বাদপড়া ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার এবং নতুন ১২ লাখ ৮৮ হাজার। নতুন প্রজন্মের এসব নাগরিক ত্রয়োদশ সংসদে ভোট দেবেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে দেশে মোট ভোটার ছিল ১২ কোটি ১৮ লাখ। সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী দেশে মোট ভোটার সংখ্যা হবে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি, যাদের সবাই ত্রয়োদশ সংসদে ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু নবম সংসদ-পরবর্তী তিনটি সংসদে বেশিরভাগ মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দশম সংসদে ১৫৩ এমপি বিনা ভোটে জয়ী হওয়ার পর মানুষ আরো বেশি ভোটবিমুখ হয়ে পড়ে।

তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নবম সংসদের পর থেকে দ্বাদশ সংসদের আগ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কোটি নতুন ভোটার তালিকায় যোগ হয়। কিন্তু তারা নিজেদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। পুরোনো ৮ কোটি ভোটারের বেশিরভাগই একতরফা নির্বাচনের কারণে ভোট দেওয়া থেকে নিজেদের বিরত রেখেছিলেন। ফলে দেশে ভোটারখরা তৈরি হয়। এমনও দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রগুলোতে মাইকিং করেও ভোটার আনা যায়নি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়। রাষ্ট্র থেকে সংবিধান সংস্কারের হিড়িক পড়ে। নির্বাচন কমিশনও এর বাইরে নেই। তারাও ভোটের পরিবেশ এবং সবাইকে ভোট ব্যবস্থায় আগ্রহী করতে নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে। ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর বাড়ি বাড়ি যাওয়ার সংস্কৃতি থেকে বিগত কমিশন বেরিয়ে আসে। বর্তমান কমিশন নতুন প্রজন্মকে ভোটদানে আগ্রহী করতে পুরোনো ধারায় ফেরেন (বাড়ি বাড়ি)।

এসব উদ্যোগে ব্যাপক সাড়াও পেয়েছে ইসি। ফলে আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনটি জয়-পরাজয়ে বড় ফ্যাক্টর নতুন প্রজন্মের সাড়ে ৪ কোটি ভোটার।

স্থানীয় সংস্কার কমিশনের আহ্বায়ক ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ আমার দেশকে বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচন ছিল প্রহসনের। তাই ভোটদানে মানুষের আগ্রহ ছিল না। তবে নির্বাচনব্যবস্থায় নানা সংস্কার ও হালনাগাদের পর নতুন একটি নির্ভুল ভোটার তালিকার মাধ্যমে আশা করা যায় মানুষ ভোট দিতে কেন্দ্র যাবে। ভোটটি উৎসবমুখর হবে।



সূত্রঃ দৈনিক আমারদেশ।

Thursday, May 15, 2025

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযান

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযান



তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গেট এলাকায় ভাসমান সব দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন।

আজ সকাল ১১টা থেকে এ অভিযান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এর আগে থেকেই তা শুরু হয় বলে জানা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ভেকু মেশিন সব দোকানপাট গুড়িয়ে দেয় এবং অবশিষ্ট অংশগুলো এক এক করে ট্রাকের মধ্যে ফেলে।

ব্যবসায়ীরা তাদের জিনিসপত্র যতটা সম্ভব সরিয়ে নিতে দেখা যায় তবে অনেকেই তারা তাদের জিনিসপত্র সরানোর সময় পাননি। অভিযানে বিপুল সংখ্যক আনসার সদস্য, পুলিশ এবং উৎসুক জনতার উপস্থিতি দেখা যায়।

অভিযানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার বলেন, আমরা দ্রুতই সব সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছি এবয় আশাকরছি এ উদ্যোগ গুলোর মাধ্যমে এখানে মাদকের যে আখড়া তা নির্মূলে আনা যাবে।

তবে এর জন্য সবার সহযোগীতা একান্ত কাম্য। একা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সিটি কর্পোরেশন কিছুই করতে পারবে না।