
Sunday, February 2, 2025

Thursday, January 30, 2025
মুখ দেখে নয়, আঙুলের ছাপে পরিচয় যাচাই চান পর্দানশীন নারীরা
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলা সম্মুখের রাস্তায় এ কর্মসূচী পালন করা হয়। মানববন্ধন ও সমাবেশ শেষে নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।
মানববন্ধন ও সমাবেশে পর্দানশীন নারীরা বলেন, বিগত ১৬ বছর যাবত যে সমস্ত সাবেক ইসি কর্মকর্তা পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব আটকে রেখে মানবাধিকার বঞ্চিত করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় ও প্রাইভেসির অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষা অধিকার দেওয়া এবং সব ক্ষেত্রে পরিচয় শনাক্তে চেহারা ও ছবি মেলানোর সেকেলে পদ্ধতি বাতিল করে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে হবে। পর্দানশীন নারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় পুরুষ নয়, নারী সহকারী বাধ্যতামূলক রাখতে হবে।
তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র পরিপূর্ণ পর্দা করার কারণে পর্দানশীন নারীরা বৈষম্যের শিকার। গত ১৬ বছর ধরে অসংখ্য পর্দানশীন নারীর নাগরিকত্ব আটকে রাখা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও করা হচ্ছে বঞ্চিত। পরিচয় যাচাইয়ে জোর করে বেগানা পুরুষের সামনে চেহারা খুলতে বাধ্য করা হচ্ছে। এসব হেনস্তার অবসান হতে হবে।
Wednesday, January 22, 2025
জয়পুরহাট সীমান্তে বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক
তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব উঁচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় দু দেশের ক্যাম্প কোম্পানি কমান্ডারদের নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে পাঁচবিবি উপজেলার উচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তের ২৮১ মেইন পিলারের ৩৩-৩৪ ও ৩৫ সাব পিলার পর্যন্ত আনুমানিক ২০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করে বিএসএফ। সে সময় স্থানীয়রা বিষয়টি বিজিবির হাটখোলা বিওপি ক্যাম্পের সদস্যদের জানান। এরপর বিজিবি সদস্যরা সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বাধা দেন। তখন বিএসএফ সদস্যরা কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকাজ স্থগিত করে চলে যান।
পতাকা বৈঠক শেষে বিজিবির হাটখোলা বিওপির কোম্পানি কমান্ডার শাহ জাহান সরকার বলেন, ‘আজ বিকালে পতাকা বৈঠকে ভারতীয় চকগোপাল ক্যাম্পের কমান্ডার দ্বিজেন্দ্রনাথ বলেছেন তারা আর কাজ করবেন না। যতটুকু ঘিরেছেন ততটুকু তুলে নেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।’

