Sunday, May 24, 2026

ভিজিএফ কার্ড ভাগাভাগি, বিএনপির চেয়ে জামায়াতের ভাগ কম হওয়ায় ঝুলে আছে বিতরণ

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এবার ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণের ভিজিএফ কার্ড রাজনৈতিক সমঝোতায় বন্টন করা হয়েছে। আর এতে বিএনপিজামায়াত ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনওজন্য রয়েছে আলাদা ভাগ। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরীব ও দুস্থ মানুষের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও এখানো কার্ড বিতরণ করা হয়নি। বিএনপির তুলনায় জামায়াতে ইসলামীর কার্ডের ভাগ কম পড়ায় বিতরণে ঝামেলা হচ্ছে বলে জানা গেছে। আর এতে বিপাকে পড়েছে এলাকার গরীব ও দুস্থ মানুষ।  

কালীগঞ্জ পৌরসভার প্রধান সহকারী আমিনুল ইসলাম ঠান্ডুর কাছ থেকে সংগ্রহ করা বন্টনের তালিকায় দেখা গেছে২০২৫২০২৬ অর্থবছরে কুরবানির ঈদের আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৬২৫টি ভিজিএফ কার্ড তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে বিএনপি ২ হাজার ৮০০টিজামায়াত ১ হাজার ৫০০ টি ও ইউএনও ভাগ পেয়েছেন ৩২৫টি।  এর আগে রোজার ঈদে বিএনপি ২ হাজার ৮০০টিজামায়াত ১ হাজার ২০০টিনির্বাহী প্রকৌশলী ২৫টি ও গণঅধিকার পরিষদ নেয় ৪০টি। কিন্তু এবার ইউএনও ভাগ নিয়েছেন ৩২৫টি।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছেঈদ উপলক্ষে সরকার গরীব ও দুস্থদের মাঝে ভিজিএফের ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করে। কিন্তু ঈদের আর মাত্র ৩দিন বাকি থাকলেও এখনো পর্যন্ত পৌরসভায় ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হয়নি। এবার মনে হয় আর ঈদের আগে ভিজিএফের চাল বিতরণ হবে না। উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা শুরু হলেও পৌরসভায় এখনো কার্ডই বিতরণ করা হয়নি।  

এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে রোববার (২৪ মেদুপুরে কালীগঞ্জ পৌরসভায় গেলে প্রধান সহকারী আমিনুল ইসলাম ঠান্ডু ফাইল থেকে বন্টনের কাগজটি বের করে দেখান। এছাড়াও ভিজিএফ কার্ডগুলো তার কক্ষে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এ সময় তিনি বলেনএবারের তালিকা করা হয়েছে। তবে মানবে কিনা বলা যাচ্ছে না। কার্ড বিতরণ নিয়ে বিএনপিজামায়াতের মধ্যে খুব ফিকশন চলছে। গত রোজার ঈদে বিএনপি ২৮০০ আর জামায়াত ১২০০ কার্ড দিয়েছিল। সে সময় একটা কায়দায় মীমাংসা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার বিএনপির সমপরিমাণ চেয়েছে জামায়াত। এটা নিয়েই ঝামেলা হচ্ছে।

এদিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনওরেজওয়ানা নাহিদ পৌরসভার প্যাডে রাজনৈতিক দল ও নিজের ভাগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেনসোমবারের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হবে। পৌরসভার প্যাড যে কেউ এটা বানাতে পারে। এভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বন্টন করা সরকারের কোনো নির্দেশনা নেই।  


শেয়ার করুন