Tuesday, January 20, 2026

যানজট,বদলে গেছে জলঢাকার চিরচেনা দৃশ্যপট


মাহমুদ আল-হাছান, তিস্তা নিউজ :  সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে গেলো যানজটে নাকাল জলঢাকার জনজীবন। পুরো শহর পরিচ্ছন্ন, কোথাও কোনো ময়লা আবর্জনা নেই, অটো রিকশা, ভ্যান, সিএনজি ও এলপিজি চালিত গাড়ীগুলো শহরের ভিতরে এলোমেলো অবস্থায় যাচ্ছাতাইভাবে দাঁড়িয়ে নেই, সবাই নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করছে কিংবা কর্মব্যস্ত আছে। এ যেনো এক নতুন জলঢাকা! এ সবকিছুই সম্ভব হয়েছে কেবল সেনাবাহিনীর তৎপরতায়। 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার প্রত্যেক নির্বাচনী আসন ও উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। সেনাবাহিনী অবস্থান গ্রহনের পর থেকেই ধীরে ধীরে জনগনের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে বিশেষ করে জলঢাকার যানজট পরিস্থিতি। সাধারনত বিকেল ৪'০০ টা থেকে রাত ৮'০০ টা পর্যন্ত জলঢাকা যানজটের শহরে পরিণত হয়ে যায়। ডালিয়া রোডের ইসলামী ব্যাংক থেকে বাস স্ট্যান্ড এবং ডিমলা রোডের বাসস্টান্ড থেকে থানামোড় পর্যন্ত পায়ে হেটে পারাপার করাও দুস্কর হয়ে পড়ে ওই সময়। বাস,ট্রাক, মাইক্রোবাস, অটো রিকসা, ভ্যান, মোটর সাইকেলের শহরে পরিণত হয়ে যায় জলঢাকা। শব্দদুষনে ক্লান্ত হয়ে পড়ে বিভিন্ন কাজে শহরে আসা মানুষ। 

জলঢাকার এই যানজট নিরসনে মনোযোগ দেয় সেনাবাহিনী। তাদের হস্তক্ষেপে রাতারাতি বদলে গিয়েছে জলঢাকার চালচিত্র। সেনাবাহিনীর পরামর্শে উপজেলা প্রশাসন থেকে মাইকিং করে প্রত্যেক রুটে গাড়ীর স্টপেজ নির্ধারন করে দেয়া হয়েছে। কেউ স্টপেজ সীমা অমান্য করলে তাকে জরিমানা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারনে বদলে গেছে জলঢাকার চিরাচরিত চিত্র। সাথে পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও আস্থা ও সাহস ফিরে পাচ্ছে। শুধু ট্রাফিক কন্ট্রোল নয়, জলঢাকার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে বলে জলঢাকার মানুষজন মনে করছেন।




শেয়ার করুন