ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বিএনপি কার্যালয়ের আসবাবপত্র লন্ডভন্ড অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এছাড়া দলটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তারা তদন্ত করে দেখছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। বানাই বাজারের এক ইলেকট্রনিক্স দোকানদার দাবি করেন, ভাণ্ডারিয়া থেকে বহিরাগত লোক এনে একটি ‘আওয়ামী চক্র’ পরিকল্পিতভাবে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে।
এদিকে হামলায় আহত জুয়েল তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘ফয়সাল তালুকদার এই হামলার পেছনে ইন্ধন দিয়েছেন।’ তবে অভিযুক্ত ফয়সাল তালুকদারের বাবা ফারুক তালুকদার পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘জুয়েল তালুকদার আগে আওয়ামী লীগ করতো। এখন বিএনপি সেজে মূল ধারার বিএনপিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। আমার ভাই বাদশা তালুকদার আজীবন বিএনপি করে আসছে। আমরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’
এ বিষয়ে বাদশা তালুকদার মুঠোফোনে জানান, ঘটনার দিন তিনি রংপুরে ছিলেন এবং বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বের করলে আমার জন্যই ভালো হবে।’
এদিকে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন নিজাম মীরবহার বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দলীয় কার্যালয় ও চেয়ারম্যানের ছবি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


