স্টাফ রিপোর্টার ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে চারটি আসনের ছয় উপজেলার ৫৬২ কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সাত্তার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ ভোট।
নীলফামারী-২ (সদর) আসনের ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৩৪টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতীফ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৯ ভোট।
নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের ১০৫টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৮ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ১০২ ভোট।
নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের ১৬৯টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকার। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫২৬ ভোট।
জানতে চাইলে, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিরতিহীন ভাবে চলে এই ভোটগ্রহণ। রাতে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পাওয়া ভোটের তথ্যে দেখা যায়, জেলার চারটি আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা বিজয় লাভ করেন। পরে বেসরকারি ফলাফলে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।’


