তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে, তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। শুক্রবার বিপিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।
নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য জ্বালানি তেলের ব্যবহার অপরিহার্য হলেও ব্যবহৃত তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে কখনও কখনও আমদানি কার্যক্রম বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তা ও ডিলারের মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বিপিসি জানায়, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে অনেক ডিলার ডিপো থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তেল উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কিছু ভোক্তা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।


