![]() |
| ছবি সংগৃহীত |
মাহমুদ আল হাসান তিস্তা নিউজ : নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় কর্মস্থলে যাওয়ার পথে এক নারী শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের চৌধুরীরহাট এলাকায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় নিহত হন সুমি রানী রায় (৩৫)। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক স্বপন রায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত সুমি রানী রায় উপজেলার পশ্চিম শিমুলবাড়ী শাল্টিতলা এলাকার বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্রের স্ত্রী এবং নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের একটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন। প্রতিদিনের মতো আজকেও তিনি সহকর্মীর মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে পথেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় চৌধুরীরহাট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকা কোচ ‘মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি হন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোটরসাইকেল চালক দ্রুত ব্রেক করলে রাস্তার ওপর থাকা বালুর কারণে চাকা পিছলে যায়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে যান সুমি রানী। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তিনি রাস্তার ওপর পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসের নিচে চলে যান এবং বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, মোটরসাইকেল চালক স্বপন রায় গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে জলঢাকা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে। জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


