সর্বশেষ

Wednesday, May 13, 2026

বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী দল, ডোমার থানা পুলিশের প্রতিবেদন

বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী দল, ডোমার থানা পুলিশের প্রতিবেদন

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ জেলার ডোমার থানা পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী দল এবং বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের নাশকতাকারী ও সন্ত্রাসী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পলাতক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিনা ভোটের এমপি ও পুলিশের তৎকালীন ডোমার থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন নামের এক পেটোয়া ওসির বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার করা মামলায় আওয়ামী এমপি ও পুলিশের ওসিকে বাঁচাতে তদন্ত প্রতিবেদনে এ দাবি করে পুলিশ। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, আফতাব উদ্দিন সরকার ও তৎকালীন ডোমার থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন (বিপি-৭০৯৮০৬৬৮৮১) সহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ জনের বিরুদ্ধে জেলার ডোমার উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ বিন আমিন সুমন আদালতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর মামলা, হামলা, নির্যাতন, চাঁদা দাবির একটি মামলা করেন। মামলা নং-জিআর ১৬৫ (ডোম), তারিখ-০৩/১০/২০২৪। মামলাটি তদন্ত শেষে ০৫/০২/২০২৬ তারিখে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ডোমার থানা পুলিশ।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ডোমার থানার এসআই মানিকুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, এ নেতারা পূর্বের দায়ের করা ভোটকেন্দ্রে হামলা, অগ্নিসংযোগ মামলার আসামি ছিলেন। যাদের মামলা নং-জিআর-৩/২০১৪ এবং জিআর-৪/২০১৪। অত্র মামলার বাদী বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমন রাজনৈতিক দল বিএনপির ডোমার উপজেলা শাখার নেতা। ডোমার থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন ডোমার থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিগত ০৫/০১/২০১৪ইং তারিখে দেশব্যাপী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।


ওই নির্বাচনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াত-বিএনপি অংশগ্রহণ না করে তৎসময়ে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীরা সারা দেশের মতো ডোমার থানা এলাকাতেও বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক নাশকতা করে। এ কারণে ওই পৃথক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ডোমার থানায় পৃথক নাশকতার মামলা করা হয়। যার জিআর মামলা নং-০৩/১৪ ও ০৪/১৪। অত্র মামলার বাদী মাসুদ বিন আমিন সুমনসহ অপরাপর নেতা হারুন অর রশিদ, পারভেজ ও রতন আলীগণ জিআর-৩/২০১৪ এবং জিআর-৪/২০১৪ মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি।


গত ১৪/০৩/২০১৫ ইং তারিখ ডোমার থানায় কর্মরত অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমনকে জিআর মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করেন। এর ফলে বিএনপি নেতা সুমনের করা আওয়ামী লীগের এমপি ও ওসির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কোনো সত্যতা নেই। সেই কারণে মামলা হতে সাবেক সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার ও তৎকালীন ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন, বিপি-৭০৯৮০৬৬৮৮১, বর্তমান পদবি সহকারী পুলিশ সুপার, র‌্যাব-৫, রাজশাহীসহ সবার বিরুদ্ধে বাদীর আনীত অভিযোগ ও অপরাধের দায় হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ফ্যাসিস্ট আমলে করা ভোটকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও


অগ্নিসংযোগের জিআর ০৩/১৪ ও ০৪/১৪ নং মামলায় ২০২৪ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীগণ আদালত কর্তৃক বেকসুর খালাস প্রাপ্ত হয়। অসত্য মামলা দুটির সূত্র ধরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দল হিসেবে জামায়াত-বিএনপির বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ আনেন এ পুলিশ কর্মকর্তা। যে তদন্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর ও প্রতিস্বাক্ষর করেন ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ, এএসপি নিয়াজ মোর্শেদ, পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম।


এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমন জানান, আওয়ামী লীগের এমপি আফতাব ও ওসি মোয়াজ্জেমকে বাঁচাতে কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাদের বাঁচাতে বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।


এ ব্যাপারে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ জানান, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। তদন্ত অফিসার মানিকুল জানে।’ এর বেশি তিনি বলতে রাজি নন।


এ ব্যাপারে ডোমার থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মানিকুল ইসলাম ঊর্ধ্বতন অফিসারের কনসার্ন ছাড়া তিনি কিছু বলতে পারবেন না বলে জানান।


Tuesday, May 12, 2026

অভিযানে গিয়ে গ্রামবাসীর মার খেলেন ইউএনও-ওসি

অভিযানে গিয়ে গ্রামবাসীর মার খেলেন ইউএনও-ওসি

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবৈধভাবে ছড়া থেকে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর গ্রামবাসীর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

 

হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলমসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যসরা ১০টি রাবার বুলেট ছোড়ে।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ইউএনও-ওসি ছাড়া আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইউএনওর নিরাপত্তায় নিয়োজিত চার আনসার সদস্য এপিসি মো. সালাহ উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ-১, নুর মোহাম্মদ-২ ও খোরশেদ আলম, ইউএনও অফিসের স্টাফ আব্দুল ওহাব জুয়েল, ইউএনওর ড্রাইভার কামাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের স্টাফ হারুন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস স্টাফ জয়নাল আবেদীন, পৌরসভার স্টাফ সিহাব উদ্দিন।

 

এ ছাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে নুর হোসেন, সুমন ত্রিপুরা, আজাদ ও আবুল হাসান। তারা রাবার বুলেটে আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে রামগড় ইউনিয়নের পূর্ববলিপাড়া ও দক্ষিণ লামকপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কিছু লোক অভিযান পারিচালনায় অংশগ্রহণকারীদের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তারা এক-দেড়শ লোক জড়ো হয়ে ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনিসহ ১১ জন আহত হন।

 

ইউএনও বলেন, ওই এলাকায় প্রায় ১০টি স্পটে পাম্প মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়।

 

রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম বলেন, শতাধিক নারী ও পুরুষ একত্রিত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাঁচটি ফাঁকা গুলি ও আনসার সদস্যরা পাঁচটি রাবার বুলেট ছোড়ে।

 

গ্রামবাসীদের মধ্যে আহত দেলোয়ার, সুমন ও নুর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন কৃষকদের জমিতে সেচের জন্য খালের পাড়ে রাখা চারটি পাম্প ভেঙে ফেলে। এতে গ্রামবাসী বাধা দিলে তারা গ্রামবাসীর ওপর গুলিবর্ষণ করে।

 

কৃষক ফারুক অভিযোগ করেন, অভিযান পরিচালনাকারীরা তার একটি সেচের পাম্প ভেঙে ফেলেছে। একইভাবে কিবরিয়া ও বশর নামে তিন কৃষকের সেচ পাম্পও ভাঙা হয়।

 

তবে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কজী শামীম কৃষকদের সেচ পাম্প ধ্বংস করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

পৌনে ২ মিনিটের বক্তব্যে মন্ত্রীকে ৪৯ বার ‘স্যার’ বললেন পৌর প্রশাসক

পৌনে ২ মিনিটের বক্তব্যে মন্ত্রীকে ৪৯ বার ‘স্যার’ বললেন পৌর প্রশাসক

                   মোঃ রাজীব আহসান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ এক মিনিট পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ডের বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুকে ৪৯ বার স্যার বললেন লালমনিরহাট পৌরসভার প্রশাসক (ডিডিএলজি) মো. রাজীব আহসান।

সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশনের রিকশা স্ট্যান্ডে আয়োজিত আধুনিক স্ট্রিট লাইট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আধুনিক স্ট্রিট লাইটের উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ডের স্বাগত বক্তব্যে লালমনিরহাট পৌরসভার প্রশাসক (ডিডিএলজি) মো. রাজীব আহসান ৪৯ বার স্যার সম্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, লালমনিরহাট শহরকে স্মার্ট ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে এই আলোকসজ্জা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। রাজশাহীর আদলে পর্যায়ক্রমে পুরো জেলা শহরকে নান্দনিকভাবে সাজানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। নতুন স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ফলে শহরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রাতের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

‎উল্লেখ্য, ত্রাণমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে রেল স্টেশন থেকে সার্কিট হাউস পর্যন্ত বিশেষ লাইট বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্পটি পর্যায়ক্রমে পুরো শহরে সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।


সূত্রঃ দৈনিক কালবেলা।

Monday, May 11, 2026

স্যার, আমি বের হতে পারছি না; আমার একজন বাচ্চা আছে’

স্যার, আমি বের হতে পারছি না; আমার একজন বাচ্চা আছে’

 তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ 

কুমিল্লায় দিনে-দুপুরে একটি বাসায় চুরি করে পালানোর সময় বারান্দার লোহার গ্রিলে আটকে পড়েছেন মারজান হোসেন জিহাদ (২২) নামের এক চোর। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। জানালার গ্রিলে আটকে থাকার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সোমবার (১১ মে) ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এর আগে গত রোববার (১০ মে) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর ইসলামপুর এলাকার (আদালতের পূর্বপাশে) একটি ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


আটক মো. মারজান হোসেন জিহাদ নগরীর ছোটরা এলাকার আবদুল বারেকের ছেলে। ওই ভবনটির মালিক ইসলামপুর এলাকার মোহাম্মদ আলী। ভবনের নিচতলায় ভাড়াটিয়া পরিবার বসবাস করছিল। সেখানে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েন জিহাদ।


কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভাইরাল হওয়া ১ মিনিট ১২ সেকেণ্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ভবনটির বারান্দার গ্রিলে আটকে আছেন চোর জিহাদ। গ্রিলের ফাঁক থেকে বের হওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছেন তিনি। এ দৃশ্য দেখছিল স্থানীয় এলাকার উৎসুক লোকজন। এ সময় তাকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, স্যার- আমি বের হতে পারছি না। আমার একজন বাচ্চা আছে। একপর্যায়ে উপস্থিত লোকজন প্রায় আধাঘণ্টা পর ওই চোরকে গ্রিল থেকে টেনে বের করে।


পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে নগরীর ইসলামপুর এলাকায় একটি ভবনের নীচতলায় বারান্দার গ্রিল কেটে ওই বাসায় চুরি করতে প্রবেশ করতে জিহাদ। পরে বের হওয়ার সময় তার শরীর গ্রিলে আটকে পড়ে। এ ঘটনায় এলাকায় হৈচৈ সৃষ্টি হলে লোকজন ভিড় করেন। পরে স্থানীয় জনতা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর বের করা করে। পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তাকে নেওয়া হলে আদালত তার ২০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।


ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনাটি গতকালের ছিল। ওই চোরকে ২০ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।


বায়োলজি অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হলো, জলঢাকার সাফাত

বায়োলজি অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হলো, জলঢাকার সাফাত

  

খালিদ সাইফুল্লাহ সাফাত

মাহমুদ আল-হাছান, তিস্তা নিউজ : নীলফামারীর জলঢাকার ছেলে খালিদ সাইফুল্লাহ সিফাত বাংলাদেশ বায়োলজি অলিম্পিয়াড'২০২৬ এ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। গত ০৮ মে শুক্রবার বাংলাদেশ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি- AIUB ক্যাম্পাসে এই  জাতীয় অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দেশব্যাপী ১০টি অঞ্চলে আঞ্চলিক অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয় এবং এসব আঞ্চলিক অলিম্পিয়াড থেকে বাছাই করা ৩০০ জন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী এই জাতীয় অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহনের সুযোগ লাভ করে। সাফাত সারাদেশ থেকে আসা এইসব অনন্য মেধাবীদের টপকে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো। এর আগে গত বছর অনুষ্ঠিত অলিম্পিয়াডে সে রানার্স-আপ হয়েছিলো।


খালিদ সাইফুল্লাহ সাফাত জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র। সাফাতের গর্বিত পিতা মু. সেলিমুর রহমান জলঢাকা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও রত্নগর্ভা মা  ফৌজিয়া বেগম একজন গৃহিনী।

সাফাতের এই অনন্য কৃতিত্ব অর্জনে নীলফামারী -৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী  সাফাত সহ তার গর্বিত বাবা-মা কে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

জলঢাকায় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ছাইদুল আলম সেক্রেটারি মিঠু

জলঢাকায় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ছাইদুল আলম সেক্রেটারি মিঠু

হাকিম বদিউজ্জামান জলঢাকা নীলফামারী : নীলফামারীর জলঢাকায়  দীর্ঘ ১৭ বছর পর উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জলঢাকা দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। আজ সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সভাপতি পদে ৭ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ২ জন এবং সদস্য পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ১০২ জন ভোটারের মধ্যে ১০০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ: ছাইদুল আলম তার প্রাপ্ত ভোট ২৩  এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আসাদুজ্জামান ( মিঠু) তার প্রাপ্ত ভোট ৪২ । সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে মোঃ: মোনাব্বুল হক ৭৩ ভোট ।

নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ভোটার ও প্রার্থীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। দীর্ঘদিন পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় দলিল লেখকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন সিরাজুল হক, সাব-রেজিস্ট্রার (খন্ডকালীন), জলঢাকা, নীলফামারী। এছাড়াও আব্বাস আলী সরকারের নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচন কমিশন সার্বিকভাবে নির্বাচন পরিচালনা করেন।

নির্বাচন শেষে বিজয়ী প্রার্থী ও সমর্থকদের মাঝে আনন্দ উল্লাস দেখা যায়। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্ব জলঢাকা দলিল লেখক সমিতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Sunday, May 10, 2026

১০ মামলায় আইভীর জামিন বহাল, পেতে পারেন মুক্তি

১০ মামলায় আইভীর জামিন বহাল, পেতে পারেন মুক্তি

আইভি রহমান 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ ১০ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। এর ফলে তিনি মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। হত‍্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

রোববার (১০ মে) হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে আইভী রহমানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন সাজু।


গত বছরের ৯ মে ভোর ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় তাকে জামিন দেয়। আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়।


এরই মধ্যে গত ১৮ নভেম্বর তাকে আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তীতে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন।


২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে তিনি জয়ী হন।